শিশুর হাতে মোবাইল: বাড়ছে বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষতির ঝুঁকি
যৌথ পরিবারের ভাঙন এবং কর্মব্যস্ততার কারণে বর্তমান সময়ে সন্তান লালন-পালন দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। এর ওপর জীবনের অনুষঙ্গ হিসেবে ডিজিটাল ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের স্বাভাবিক বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসক ডা. রাহেনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগে যৌথ পরিবারে সন্তান লালন-পালন সহজ ছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পরিবারগুলো এখন একক বা ছোট হয়ে গেছে। জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে মা-বাবা দুজনকেই এখন কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। অন্যদিকে,
যৌথ পরিবারের ভাঙন এবং কর্মব্যস্ততার কারণে বর্তমান সময়ে সন্তান লালন-পালন দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। এর ওপর জীবনের অনুষঙ্গ হিসেবে ডিজিটাল ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের স্বাভাবিক বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসক ডা. রাহেনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগে যৌথ পরিবারে সন্তান লালন-পালন সহজ ছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পরিবারগুলো এখন একক বা ছোট হয়ে গেছে। জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে মা-বাবা দুজনকেই এখন কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। অন্যদিকে, কাজের প্রয়োজনে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে। বর্তমানে শিশুরা বলতে গেলে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসছে। অনেক সময় শিশু কাঁদলেই মা-বাবা তার হাতে মোবাইল তুলে দিচ্ছেন। সাময়িকভাবে শিশু শান্ত হলেও, এই অভ্যাসের কারণে তাদের স্বাভাবিক মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৩ সালের ২০ মার্চ ১৬৩তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন এই আয়োজনে কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের মনোবিদ ডা. রাহেনুল ইসলাম ‘শিশুর মানসিক বিকাশ ও পারিবারিক অশান্তি: মাদকের প্রভাব’ এই বিষয়ের উপর আলোচনা করেন।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →