মেসির হ্যাটট্রিকে স্টেডিয়ামে বাঁধভাঙা উল্লাস
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাদু দেখালেন লিওনেল মেসি। এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন তিনি। আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে হারাল আলজেরিয়াকে। মেসির হ্যাটট্রিক আর দলের জয়ে গ্যালারিতে ছড়িয়ে পড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বাঁধভাঙা উল্লাস। মেসিকে ঘিরে যেন সেখানে ফুটবল ও আবেগ মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল। এই খেলা নিয়ে ছবির গল্প। দ্বিতীয় গোলের পর দুহাত ওপরে তুলে উদ্যাপনে আর্জেন্টিনার তারকা লিওনেল মেসি। গ্যালারিতে সমর্থকেরা আর্জেন্টিনার
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাদু দেখালেন লিওনেল মেসি। এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন তিনি। আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে হারাল আলজেরিয়াকে। মেসির হ্যাটট্রিক আর দলের জয়ে গ্যালারিতে ছড়িয়ে পড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বাঁধভাঙা উল্লাস। মেসিকে ঘিরে যেন সেখানে ফুটবল ও আবেগ মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল। এই খেলা নিয়ে ছবির গল্প। দ্বিতীয় গোলের পর দুহাত ওপরে তুলে উদ্যাপনে আর্জেন্টিনার তারকা লিওনেল মেসি। গ্যালারিতে সমর্থকেরা আর্জেন্টিনার বিশাল পতাকা এনেছেন। তাতে জুড়ে দেওয়া হয়েছে লিওনেল মেসির ছবি। প্রথম গোলের পর সতীর্থ আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, লাওতারো মার্তিনেজ, থিয়াগো আলমাদা ও এনজো ফার্নান্দেজের সঙ্গে লিওনেল মেসি। বল নিয়ে ছুটছেন লিওনেল মেসি। তাঁকে ঠেকানোর চেষ্টায় আলজেরিয়ার হিশাম বুদাউয়ি ও নাবিল বেনতালেব। ম্যাচের প্রথম গোলের পর মেসির মতো করে উদ্যাপনের চেষ্টা এক সমর্থকের। গ্যালারিজুড়ে নীল-সাদার সমর্থকদের ভিড়। প্রিয় দলের জার্সি পরে, পতাকা নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন তাঁরা। লিওনেল মেসির নাম লেখা ‘১০ নম্বর’ জার্সি পরে স্টেডিয়ামে হাজির আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা। খেলা শুরুর আগে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে গ্যালারিতে এক সমর্থক। প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়ে রীতিমতো উড়ছেন লিওনেল মেসি। পাশেই হতবিহ্বল আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান। ফরাসি কিংবদন্তি ফুটবলার জিনেদিন জিদানের ছেলে লুকা খেলছেন আলজেরিয়ার হয়ে। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণের প্রাণভোমরা ছিলেন লিওনেল মেসি। মেসিময় ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপের মঞ্চে আরেকটি স্মরণীয় রাত উপহার দেন এই মহাতারকা।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →