নেত্রকোনায় ছেলেশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের মামলা, মাদ্রাসাশিক্ষক পলাতক
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ১২ বছরের এক ছেলেশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার শিশুটির মা বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় মামলাটি করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে একটি মাদ্রাসার মুহতামিম হেলাল উদ্দিন ওরফে হাফিজুর রহমানকে (৩০)। তাঁর বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলায়। পুলিশ ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই ছেলেশিশুকে হেলাল উদ্দিন বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গত শুক্রবারও মাদ্রাসার একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ১২ বছরের এক ছেলেশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার শিশুটির মা বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় মামলাটি করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে একটি মাদ্রাসার মুহতামিম হেলাল উদ্দিন ওরফে হাফিজুর রহমানকে (৩০)। তাঁর বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলায়। পুলিশ ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই ছেলেশিশুকে হেলাল উদ্দিন বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গত শুক্রবারও মাদ্রাসার একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি জেনে গতকাল সকালে ছেলেটির মা বাদী হয়ে হেলাল উদ্দিনকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন। তবে পুলিশ আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। মামলার এজাহারে বলা হয় হয়, গত শুক্রবার দুপুরে শিশুটি বাড়ি এসে টয়লেট থেকে দেরি করে ফিরলে তার মা কারণ জানতে চান। এ সময় ভুক্তভোগী জানায়, মাদ্রাসার মুহতামিম হেলাল উদ্দিন তাকে যৌন নির্যাতন করেছেন। মামলার বাদীর অভিযোগ, ছয়-সাত মাস ধরে তাঁর সন্তানের ওপর এমন নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ভুক্তভোগী পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন পলাতক। তাঁকে মাদ্রাসাতেও আর আসতে দেওয়া হবে না।’ হেলাল উদ্দিনের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী মাকসুদ আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, আসামি হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →