অ্যান্টার্কটিকার বরফের নিচে বিশাল ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর সন্ধান

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
অ্যান্টার্কটিকার বরফের নিচে বিশাল ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর সন্ধান

রহস্যময় বরফের মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা যুগের পর যুগ ধরে বিজ্ঞানীদের কাছে এক পরম বিস্ময়। এবার পূর্ব অ্যান্টার্কটিকার বরফের চাদরের নিচে এক বিশাল পাখা আকৃতির ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার অ্যান্টার্কটিকার ভূতত্ত্বের অতীত ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা বরফের স্থায়িত্ব বুঝতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পাখা আকৃতির কাঠামোটি মূলত বরফের নিচে লুকিয়ে থাকা অসংখ্য অববাহিকা বা বেসিনের একটি জটিল জাল। কোনো কোনো

রহস্যময় বরফের মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা যুগের পর যুগ ধরে বিজ্ঞানীদের কাছে এক পরম বিস্ময়। এবার পূর্ব অ্যান্টার্কটিকার বরফের চাদরের নিচে এক বিশাল পাখা আকৃতির ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার অ্যান্টার্কটিকার ভূতত্ত্বের অতীত ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা বরফের স্থায়িত্ব বুঝতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পাখা আকৃতির কাঠামোটি মূলত বরফের নিচে লুকিয়ে থাকা অসংখ্য অববাহিকা বা বেসিনের একটি জটিল জাল। কোনো কোনো স্থানে এই অববাহিকাগুলো প্রায় তিন কিলোমিটারের বেশি পুরু বরফের স্তরের নিচে চাপা পড়ে আছে। এর মধ্যে উইলকস ও অরোরা বেসিনের মতো উপ–হিমবাহ বা সাবগ্লেসিয়াল এলাকাও রয়েছে। এমনকি পৃথিবীর বৃহত্তম উপ–হিমবাহ হ্রদ হিসেবে পরিচিত লেক ভোস্টক এই কাঠামোর ভেতরেই অবস্থিত। ইতালির ইউনিভার্সিটি অব জেনোয়ার বিজ্ঞানী ইজিডিও আরমাডিলোর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল এই গবেষণা পরিচালনা করেছে। বিজ্ঞানীরা এই অঞ্চলের নাম দিয়েছেন ইস্ট অ্যান্টার্কটিক ফ্যান–শেপড বেসিন প্রভিন্স। পুরো অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বরফের চাদরকে মূলত তিনটি ভাগে পূর্ব অ্যান্টার্কটিকা, পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা ও অ্যান্টার্কটিকা উপদ্বীপে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে পূর্ব অ্যান্টার্কটিকার বরফের চাদরই পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় বরফের স্তূপ। গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা উপ–হিমবাহের টপোগ্রাফি বা ভূসংস্থান, ম্যাগনেটিক ডেটা বা চৌম্বকীয় তথ্য, মহাকর্ষীয় পরিমাপ, লিথোস্ফিয়ারিক মডেল ও সিসমিক বা ভূকম্পন–সংক্রান্ত তথ্যের একটি চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছেন। বিজ্ঞানীদের মতে, কাঠামোটি মূলত ডিস্ট্রিবিউটেড রোটেশনাল এক্সটেনশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। এটি এমন এক প্রক্রিয়া, যেখানে মহাদেশের টেকটোনিক ভূত্বক বা ক্রাস্ট একটি একক বিন্দু থেকে ধীরে ধীরে বাইরের দিকে প্রসারিত বা বিস্তৃত হয়। মহাদেশীয় ভূত্বকের মধ্যে চিহ্নিত হওয়া এটিই পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম রোটেশনাল এক্সটেনশন। কাঠামোটি প্রাচীন সুপারকন্টিনেন্ট বা মহাপরাক্রমশালী মহাদেশ গন্ডোয়ানার সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক টেকটোনিক খণ্ডের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের এ সংকটের সময়ে এই আবিষ্কারের গুরুত্ব অপরিসীম। মাটির নিচে থাকা এই পাথুরে বেডরকের আকৃতি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশজুড়ে বরফের স্থানান্তরের গতিপ্রকৃতিকে সরাসরি প্রভাবিত করে। এই লুকানো কাঠামোটি সাবগ্লেসিয়াল বা বরফের নিচের হ্রদগুলোর অবস্থান বুঝতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অ্যান্টার্কটিকার যেসব অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলোর স্থায়িত্বের ওপর এই কাঠামো কীভাবে প্রভাব ফেলে, তা নির্ধারণ করা সহজ হবে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön