ভিয়েতনামে মাংস বিক্রির জন্য চুরি করা কয়েক শ বিড়াল উদ্ধার

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
ভিয়েতনামে মাংস বিক্রির জন্য চুরি করা কয়েক শ বিড়াল উদ্ধার

ভিয়েতনাম কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি দেশটিতে বিড়াল চুরি করে, এমন একটি চক্রকে পাকড়াও করেছে। তাদের কাছ থেকে ৪০০–এর বেশি বিড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। মাংস বিক্রির জন্য বিড়ালগুলো চুরি করা হয়েছিল। দেশটির একটি প্রাণীকল্যাণ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। হো চি মিন সিটি পুলিশের পত্রিকায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিড়াল চুরির সঙ্গে জড়িত অভিযোগে পুলিশ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ দলটিকে ‘বিড়াল চুরি ও সংগ্রহে বিশেষজ্ঞ একটি অপরাধী চক্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। গত সপ্তাহে পুলিশ তায় নিনহ প্রদেশ এবং হো চি মিন সিটির ব

ভিয়েতনাম কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি দেশটিতে বিড়াল চুরি করে, এমন একটি চক্রকে পাকড়াও করেছে। তাদের কাছ থেকে ৪০০–এর বেশি বিড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। মাংস বিক্রির জন্য বিড়ালগুলো চুরি করা হয়েছিল। দেশটির একটি প্রাণীকল্যাণ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। হো চি মিন সিটি পুলিশের পত্রিকায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিড়াল চুরির সঙ্গে জড়িত অভিযোগে পুলিশ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ দলটিকে ‘বিড়াল চুরি ও সংগ্রহে বিশেষজ্ঞ একটি অপরাধী চক্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। গত সপ্তাহে পুলিশ তায় নিনহ প্রদেশ এবং হো চি মিন সিটির বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪০০-এর বেশি জীবিত বিড়াল এবং প্রায় ৮০টি বিড়ালের হিমায়িত দেহ উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া একটি পৃথক স্থাপনা থেকে আরও ২১টি বিড়াল জব্দ করা হয়েছে। ভিয়েতনামে কুকুর, বিড়ালের মাংস খাওয়া বৈধ। তবে বিক্রেতাদের এ জন্য অনুমতিপত্র থাকতে হয়, যেখানে প্রাণীগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে, তার উল্লেখ থাকে। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হো চি মিন সিটিতে একের পর এক পোষা প্রাণী চুরির ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ১১ জুন ওই চক্রের সন্ধান পায়। পুলিশ বলেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে তাঁরা তিন বছর ধরে দক্ষিণ ভিয়েতনামের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিড়াল ধরা বা সংগ্রহ করে আসছিলেন। এ নিয়ে তদন্ত এখনো চলছে। যাঁদের পোষা প্রাণী চুরি হয়েছে, তাঁদের সশরীর এসে উদ্ধার করা প্রাণীগুলো শনাক্ত করতে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, চক্রটি চুরি করা বিড়ালগুলো প্রথমে বিভিন্ন সংরক্ষণকেন্দ্রে নিয়ে যেত এবং পরে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করত। প্রতি দুই থেকে তিন দিন পর এসব লেনদেন সম্পন্ন হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিমেলস গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেছে, চুরি হওয়া বিড়ালগুলোর মধ্যে প্রায় ৪০টিকে এরই মধ্যে মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি এতগুলো প্রাণীর জীবন রক্ষায় সহায়তা করার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ‘দৃঢ় ও দ্রুত পদক্ষেপের’ প্রশংসা করেছে। তবে উদ্ধার করা হলেও চুরি ও বন্দিদশায় থাকার সময় যে কষ্ট প্রাণীগুলো সহ্য করেছিল, তার কারণে পরে কয়েকটি বিড়াল মারা যায় বলে জানিয়েছে তারা। সংস্থাটি আরও বলেছে, এ বিষয়ে মামলা চলমান থাকায় পুলিশ যেসব প্রাণীকে প্রমাণ হিসেবে এখনো হেফাজতে রেখেছে, সেগুলোকে নিয়মিত খাবার ও অন্যান্য সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। ওই ঘটনায় তদন্ত চলছে। যাঁদের পোষা প্রাণী চুরি হয়েছে, পুলিশ তাঁদের সশরীর এসে উদ্ধার করা প্রাণীগুলো শনাক্তে সহায়তা করার অনুরোধ করেছে। হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিমেলস কমিশনের করা ২০২৩ সালের একটি জরিপে দেখা গেছে, বিশেষ করে তরুণ ও পোষা প্রাণীর মালিকদের মধ্যে এ প্রথার বিরুদ্ধে সমর্থন বাড়ছে এবং অধিকাংশ মানুষ কুকুর ও বিড়ালের মাংস কেনাবেচা নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছেন। হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিমেলসের তথ্যমতে, ভিয়েতনামে প্রতিবছর মাংসের জন্য আনুমানিক ৫০ লাখ কুকুর এবং ১০ লাখ বিড়াল ধরা, চুরি ও পাচার করা হয় এবং সেগুলো মেরে ফেলা হয়। সংস্থাটি বলছে, পোষা প্রাণীগুলো প্রায়ই বাড়ি থেকে চুরি করা হয়। কুকুরের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিষ মেশানো ফাঁদ, টেজার (বিদ্যুৎ শক দেওয়া যন্ত্র) ও লোহার চিমটার মতো সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধরা হয়। আর বিড়ালের ক্ষেত্রে স্প্রিং–যুক্ত ফাঁদ ব্যবহার করা হয়। এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় ভিয়েতনামে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়ার প্রচলন এখনো বেশি। তবে আন্দোলনকারীরা বলছেন, মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসছে। হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিমেলস কমিশনের করা ২০২৩ সালের একটি জরিপে দেখা গেছে, বিশেষ করে তরুণ ও পোষা প্রাণীর মালিকদের মধ্যে এ প্রথার বিরুদ্ধে সমর্থন বাড়ছে এবং অধিকাংশ মানুষ কুকুর ও বিড়ালের মাংস কেনাবেচা নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছেন।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön