মেসি তো দশে ১০—আর্জেন্টিনার অন্য ফুটবলাররা কে কেমন খেললেন
আলজেরিয়াকে ৩–০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দারুণভাবে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আজ বাংলাদেশ সময় সকালে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে একাই ৩ গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন লিওনেল মেসি। চ্যাম্পিয়নদের এমন দাপুটে শুরুর পর স্বাভাবিকভাবেই সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে চলছে তুমুল আলোচনা—প্রথম ম্যাচে দলের কোন খেলোয়াড় কেমন পারফর্ম করলেন? ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডটকমের রেটিং অনুযায়ী, আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের মূল্যায়নের সঙ্গে আপনারট
আলজেরিয়াকে ৩–০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দারুণভাবে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আজ বাংলাদেশ সময় সকালে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে একাই ৩ গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন লিওনেল মেসি। চ্যাম্পিয়নদের এমন দাপুটে শুরুর পর স্বাভাবিকভাবেই সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে চলছে তুমুল আলোচনা—প্রথম ম্যাচে দলের কোন খেলোয়াড় কেমন পারফর্ম করলেন? ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডটকমের রেটিং অনুযায়ী, আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের মূল্যায়নের সঙ্গে আপনারটা মিলিয়ে নিতে পারেন। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ—৭/১০ ম্যাচে খুব একটা পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি তাঁকে। পাসিং ও বল বণ্টনে ছিলেন দারুণ কার্যকর। পুরো ৯০ মিনিটে মাত্র একবার বল ক্লিয়ার করতে হয়েছে। ফাকুন্দো মেদিনা—৭/১০ প্রতিপক্ষ ফরোয়ার্ডদের বোতলবন্দী করে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছেন। পুরো ম্যাচে দুটি সফল ট্যাকল, একটি ব্লক এবং একবার বল ক্লিয়ার করেছেন। জয় নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে আর্জেন্টিনা ক্রিস্টিয়ান রোমেরো—৭/১০ প্রতিপক্ষ পুরো ম্যাচে অন-টার্গেটে শট নিতে পেরেছেন মাত্র একটি। যার অর্থ, তেমন একটা পরীক্ষায় পড়তে হয়নি। রক্ষণ সামলে ৮০ মিনিটে প্রতিপক্ষের চারটি আক্রমণ নস্যাৎ করেছেন। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ—৮/১০ রক্ষণে ছিলেন অনবদ্য। দুর্দান্ত লড়াই করে চারবার বল ক্লিয়ার করার পাশাপাশি দুটি ট্যাকল ও একটি ইন্টারসেপশন দিয়ে প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দেন। তিন ‘কবিতা’য় শুরু মেসির শেষের ‘কবিতা’ গঞ্জালো মন্তিয়েল—৭/১০ প্রথমার্ধে রক্ষণে দারুণ অবদান রেখেছেন। তবে আগে থেকে ঠিক করে রাখা পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ৪৬ মিনিটে তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। রদ্রিগো দি পল—৮/১০ মাঝমাঠে বরাবরের মতোই দাপুটে ছিলেন। ৯০ মিনিটে ৬৮ বার বল টাচ করে ৯২ শতাংশ সফল পাস দিয়েছেন। এ ছাড়া লিওনেল মেসির প্রথম গোলটির অ্যাসিস্টও আসে তাঁর পা থেকেই। সমর্থকেরাও পূর্ণ তৃপ্তি নিয়েই গ্যালারি ছেড়েছেন এনজো ফার্নান্দেজ—৭/১০ পাসিংয়ে নিখুঁতই ছিলেন বলা যায়। বল দখলে রাখতে এবং আক্রমণ সচল রাখতে পুরো ম্যাচেই কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার—৭/১০ আক্রমণ ও রক্ষণ—উভয় ক্ষেত্রেই বল পায়ে এবং বল ছাড়া দারুণ খেলেছেন। ৯৪ শতাংশ সফল পাসের পাশাপাশি একটি সফল ট্যাকল, ছয়টি রিকভারি ও দুটি বল ক্লিয়ার করেছেন। ‘মেসিকে নিয়ে কী বলব, ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন’ থিয়াগো আলমাদা—৬/১০ উইং ধরে আক্রমণে গতি ফেরানোর চেষ্টা করেছেন। তবে এর বাইরে মাঠে তেমন বিশেষ কোনো অবদান রাখতে পারেননি। পুরো ম্যাচেই ছিল ‘মেসি ম্যাজিক’ লিওনেল মেসি—১০/১০ পুরো ম্যাচেই ছিল ‘মেসি ম্যাজিক’। ৫৭ বার বল টাচ করে ৩০টি সফল পাস ও ২টি দারুণ সুযোগ তৈরি করেছেন। পেনাল্টি বক্সে প্রতিপক্ষকে ব্যস্ত রাখার পাশাপাশি নিয়েছেন ৬টি শট, যার ৪টিই ছিল অন-টার্গেট। শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকে দলের ৩টি গোলই করেন তিনি। লাওতারো মার্তিনেজ—৫/১০ মাঠে কাটানো ৫৫ মিনিটে একেবারেই চেনা ছন্দে ছিলেন না। শট ও পাসের দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগেছেন, আক্রমণে দলের জন্য কোনো সুযোগ বা জায়গাও তৈরি করতে পারেননি। গোলের পর কেন কেঁদেছেন মেসি
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →