সরাসরি মেসির খেলা দেখে কেমন অনুভূতি, জানালেন অভিনয়শিল্পী নাঈম–নাদিয়া, দেখুন ৯টি ছবিতে
ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে আজ মাঠে উপস্থিত ছিলেন অভিনয়শিল্পী দম্পতি নাঈম-নাদিয়া। কেমন অভিজ্ঞতা হলো তাঁদের কানসাস সিটিতে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়ার ম্যাচে। খেলা শেষ হওয়ার পরই অভিজ্ঞতা জানালেন এই দম্পতি। নাদিয়া ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার ফ্যান। অন্যদিকে নাঈমের পছন্দের দল জার্মানি। তবে যে দলের সমর্থকই হোন, বিশ্বকাপে মেসির খেলা দেখার সুযোগ কি হাতছাড়া করা যায়! নাঈম জার্মানির সাপোর্টার হলেও মেসি, রোনালদোদের খেলা দেখার মধ্যে আলাদা একটা ব্যাপার আছে বলে জানালেন নাঈম বলেন, ‘গ্য
ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে আজ মাঠে উপস্থিত ছিলেন অভিনয়শিল্পী দম্পতি নাঈম-নাদিয়া। কেমন অভিজ্ঞতা হলো তাঁদের কানসাস সিটিতে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়ার ম্যাচে। খেলা শেষ হওয়ার পরই অভিজ্ঞতা জানালেন এই দম্পতি। নাদিয়া ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার ফ্যান। অন্যদিকে নাঈমের পছন্দের দল জার্মানি। তবে যে দলের সমর্থকই হোন, বিশ্বকাপে মেসির খেলা দেখার সুযোগ কি হাতছাড়া করা যায়! নাঈম জার্মানির সাপোর্টার হলেও মেসি, রোনালদোদের খেলা দেখার মধ্যে আলাদা একটা ব্যাপার আছে বলে জানালেন নাঈম বলেন, ‘গ্যালারিতে এসে টের পাচ্ছি মেসি কী! সামনে থেকে মেসির খেলা দেখা একটা লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স।’ নাদিয়া বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে ধারাবাহিকভাবে ম্যারাডোনা, বাতিস্তুতা হয়ে মেসিদের সমর্থক। মেসি তো দলমতের বাইরে প্রায় সব ফুটবলপ্রেমীরই পছন্দের খেলোয়াড়। তারপরও সে যেহেতু আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়, তাই ভালোবাসাটা একটু বেশিই।’ বাংলাদেশের কাছাকাছি গতবার কাতার বিশ্বকাপ হলো, কিন্তু সেবার নানা ব্যস্ততায় যেতে পারেননি তাঁরা। তাই যখন জানতে পারলেন ২০২৬ বিশ্বকাপ আমেরিকায় হবে, তখনই ঠিক করেন খেলা দেখতে যাবেন। এরপর সেভাবেই নির্দিষ্ট সময়ে নিবন্ধন করেন একাধিক আইডি থেকে। পছন্দের দলগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা, জার্মানির ম্যাচগুলো রেখেছিলেন। তবে ড্রতে শুরুর দিকে তাঁদের নাম ওঠেনি ফিফা থেকে সরি লেখা মেইল এলেই তাই মনটা খারাপ হচ্ছিল এই অভিনেতা-অভিনেত্রীর। এরপর শেষ দিকে এসে পেলেন কানসাসের এই ম্যাচের টিকিট কেনার সুযোগ খেলার আগে সকাল থেকেই ঘুরেছেন স্টেডিয়াম এলাকার আশপাশ। সেখানেও ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে নানা রকম আয়োজন রাখা হয়েছে আর্জেন্টিনার ‘স্পাইডার’ হুলিয়ান আলভারেজের বান্ধবীকে চেনেন? এরপর ফিফার নির্ধারিত বাসে চড়ে পৌঁছালেন স্টেডিয়ামে। ঢোকার পর স্টেডিয়ামজুড়ে নীল-সাদা সমর্থকদের ঢেউ দেখে দুজনেই মুগ্ধ হয়েছেন নাদিয়া বলেন, ‘প্রথমবার প্রিয় দলের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে এলাম। আর সেই ম্যাচেই মেসির এতগুলো ইতিহাস হলো, ভাবতেই ভালো লাগছে। মেসির খেলা দেখা আসলেই আমাদের সারা জীবনের এক অন্যতম অর্জন হয়ে থাকবে।’ আর্জেন্টিনার রদ্রিগো দি পল কেন বান্ধবীকে মেসি বলে ডাকেন
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →