অযোধ্যায় নতুন বিতর্ক: রাম মন্দির ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি রুপি তছরুপের অভিযোগ তদন্তের দাবি

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 4 saat önce
অযোধ্যায় নতুন বিতর্ক: রাম মন্দির ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি রুপি তছরুপের অভিযোগ তদন্তের দাবি

অযোধ্যার রাম মন্দিরকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। মন্দির ট্রাস্টের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি রুপি আত্মসাতের অভিযোগ এনে গতকাল মঙ্গলবার একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন ‘ধর্ম সেনা ভারত’-এর প্রধান ও সাবেক করসেবক সন্তোষ দুবে। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রবীণ নেতা এল কে আদভানির সঙ্গে সন্তোষ দুবেও ছিলেন ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার অন্যতম প্রধান আসামি। হিন্দি ভাষায় জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে দুবে উল্লেখ করেন, ‘আবেদনকারী (সন্তোষ দুবে নিজে) প্রায়ই দর

অযোধ্যার রাম মন্দিরকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। মন্দির ট্রাস্টের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি রুপি আত্মসাতের অভিযোগ এনে গতকাল মঙ্গলবার একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন ‘ধর্ম সেনা ভারত’-এর প্রধান ও সাবেক করসেবক সন্তোষ দুবে। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রবীণ নেতা এল কে আদভানির সঙ্গে সন্তোষ দুবেও ছিলেন ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার অন্যতম প্রধান আসামি। হিন্দি ভাষায় জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে দুবে উল্লেখ করেন, ‘আবেদনকারী (সন্তোষ দুবে নিজে) প্রায়ই দর্শনের জন্য রাম জন্মভূমি মন্দিরে যান। তিনি প্রায়ই দেখেছেন, ভক্তরা দানবাক্সে সোনা ও রুপার গয়না, সোনা ও রুপার মুদ্রা এবং নগদ অর্থ দান করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ভক্তদের কাছ থেকে প্রতিদিন দানবাক্সগুলোতে নগদ টাকা, মুদ্রা ও গয়না মিলিয়ে ১ কোটি রুপির বেশি মূল্যের অনুদান জমা পড়ছে।’ মন্দিরের তহবিল তছরুপের এ অভিযোগগুলো সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলো উত্তর প্রদেশের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে নিশানা করতে শুরু করেছে। বিশেষ করে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এ দুর্নীতির অভিযোগটি ব্যাপকভাবে তুলে ধরছে। সন্তোষ দুবে বলেন, এই অনুদান সংরক্ষণ ও সুরক্ষার দায়িত্ব রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের ট্রাস্টিদের ওপর ন্যস্ত। কিন্তু তাঁরা এ অর্থ নিরাপদে রাখার বদলে আত্মসাৎ করেছেন। দুবে তাঁর এ অভিযোগে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বানসাল ও অন্য কর্মচারীদের নাম উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ তদন্তে পলিগ্রাফ পরীক্ষার দাবি অভিযোগপত্রে সন্তোষ দুবে দাবি করেছেন, ‘আবেদনকারীর অভিযোগ হলো, ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বানসাল, অনিল মিশ্র, গোপাল রাও এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নুসহ (চম্পত রাইয়ের গাড়িচালক হিসেবে পরিচিত) ট্রাস্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে বড় অঙ্কের অর্থ, সোনা ও রুপার গয়না এবং মুদ্রা দানবাক্স থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আত্মসাৎ করা এ অর্থ ও সম্পদের মূল্য ২০০ কোটি রুপির বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।’ মন্দিরের তহবিল আত্মসাৎ করার জন্য ট্রাস্টের কর্মকর্তারা হিসাবের খাতায় ভুয়া তথ্য ও জাল সংখ্যা বসিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলেন সন্তোষ দুবে। তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে মন্দিরে অনুদান হিসেবে পাওয়া রত্নখচিত গয়না বিক্রি ও কোটি কোটি রুপি হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এর মধ্যে কিছু মালামাল সাধারণ চোরদের কাছ থেকে উদ্ধারও করা হয়েছে।’ পাঠ্যসূচি থেকে বাবরি মসজিদ নামটাই বাদ গেল, দাঙ্গাও সন্তোষ দুবে, বাবরি মসজিদ মামলার অন্যতম আসামি ভক্তদের দান করা কোটি কোটি রুপি, সোনা ও রুপার গয়না, মুদ্রা এবং মূল্যবান রত্নসামগ্রী উদ্ধার করতে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে এফআইআর নথিভুক্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ন্যায়বিচার ও ধর্মের স্বার্থেই আইনের উপযুক্ত ধারা অনুযায়ী এটি নথিভুক্ত করা উচিত। সেই সঙ্গে তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পলিগ্রাফ পরীক্ষা (মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা) করা দরকার এ ঘটনায় উত্তর প্রদেশ পুলিশকে একটি এজাহার বা এফআইআর দায়েরের অনুরোধ জানিয়েছেন সন্তোষ দুবে। তিনি বলেন, ‘ভক্তদের দান করা কোটি কোটি রুপি, সোনা ও রুপার গয়না, মুদ্রা ও মূল্যবান রত্নসামগ্রী উদ্ধার করতে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ন্যায়বিচার ও ধর্মের স্বার্থেই আইনের উপযুক্ত ধারা অনুযায়ী একটি এফআইআর নথিভুক্ত করা উচিত। সেই সঙ্গে তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পলিগ্রাফ পরীক্ষা (মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা) করা দরকার।’ রাম মন্দির হবে ভারতীয় সংস্কৃতির আধুনিকতম প্রতীক: মোদি মন্দিরের তহবিল তছরুপের এ অভিযোগগুলো সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলো উত্তর প্রদেশের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে নিশানা করতে শুরু করেছে। বিশেষ করে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এ দুর্নীতির অভিযোগটি ব্যাপকভাবে তুলে ধরছে। গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে উত্তর প্রদেশে বিজেপির শাসন দুর্নীতিতে ডুবে গেছে। তা না হলে এখানে এসআইটি (বিশেষ তদন্ত দল) গঠনের বদলে আইআইটি (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) গড়ে উঠত।’ মোদির লোকেরাই কি সেই রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাৎ করলেন, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön