জয়পুরহাটে ‘আর্জেন্টিনা বাড়ির’ সামনে ভক্তদের মেসির হ্যাটট্রিক উদ্যাপন
রাস্তা দিয়ে চলতে গেলেই চোখ আটকে যায় বাড়িটির দিকে। চারপাশের দেয়ালজুড়ে নীল-সাদা রঙের ছোঁয়া, যেন আর্জেন্টিনার পতাকারই প্রতিচ্ছবি। দেয়ালের বিভিন্ন অংশে আঁকা হয়েছে লিওনেল মেসির প্রতিকৃতি। বাড়ির মালিক মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা ও মেসির নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকের পর এই বাড়ির সামনে উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। সদর উপজেলার আউশগাড়া ইনরাপাড়া গ্রামের এই বাড়িতে আজ বুধবার সকাল থেকেই জড়ো হন ফুটবলপ্রেমীরা। মেসির হ্যাটট্
রাস্তা দিয়ে চলতে গেলেই চোখ আটকে যায় বাড়িটির দিকে। চারপাশের দেয়ালজুড়ে নীল-সাদা রঙের ছোঁয়া, যেন আর্জেন্টিনার পতাকারই প্রতিচ্ছবি। দেয়ালের বিভিন্ন অংশে আঁকা হয়েছে লিওনেল মেসির প্রতিকৃতি। বাড়ির মালিক মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা ও মেসির নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকের পর এই বাড়ির সামনে উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। সদর উপজেলার আউশগাড়া ইনরাপাড়া গ্রামের এই বাড়িতে আজ বুধবার সকাল থেকেই জড়ো হন ফুটবলপ্রেমীরা। মেসির হ্যাটট্রিক উদ্যাপনে বাড়ির সামনে ফুটবল খেলা, আনন্দ-উল্লাস ও খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় লোকজন জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মেসির তিন গোলের পর মেহেদীর বাড়িতে ছোটখাটো উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। সমর্থকেরা সেখানে জড়ো হয়ে প্রিয় দলের জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০০৬ সালের বিশ্বকাপ থেকে আমি বাড়িতে আর্জেন্টিনার পতাকা ওড়াই। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে পুরো বাড়ি আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে রং করেছিলাম। এবারও সেই ভালোবাসা থেকে বাড়িটিকে নতুনভাবে সাজিয়েছি। মেসির হ্যাটট্রিক দেখে খুবই আনন্দ লাগছে। গ্রামের আর্জেন্টিনার সমর্থকদের অর্ধশতাধিক জার্সি উপহার দিয়েছি। আজ সবাইকে নিয়ে খাবারের আয়োজন করেছি।’ আজ সকালে দেখা যায়, মেহেদীর বাড়ির প্রবেশপথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা শোভা পাচ্ছে। চারপাশের দেয়ালে নীল-সাদা রঙের পাশাপাশি মেসির একাধিক প্রতিকৃতি আঁকা হয়েছে। খেলা দেখার পর বাড়ির সামনে ফুটবল খেলায় অংশ নেয় স্থানীয় কিশোর-যুবকেরা। মেহেদী হাসান নিজেও তাদের সঙ্গে খেলেন। গ্রামের কিশোর রিতাফ আহম্মদ বলে, ‘মেসির তিন গোলের পর আমরা সবাই আনন্দে আত্মহারা। মেহেদী ভাইয়ের বাড়িটি এলাকায় আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল।’ স্থানীয় বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, মেহেদী হাসানের এই বাড়িটি এখন আশপাশের এলাকায় আলোচনার বিষয়। ফুটবলের প্রতি এমন ভালোবাসা খুব কমই দেখা যায়। মেসির হ্যাটট্রিকের পর এখানে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। বিশ্বকাপের শুরুতেই মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আর জয়পুরহাটের ভক্তদের ব্যতিক্রমী ভালোবাসা—দুটিই এখন স্থানীয় লোকজনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁদের ভাষ্য, আর্জেন্টিনার প্রতি এমন ভালোবাসা বিশ্বকাপ উন্মাদনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →