চট্টগ্রামে আমানত ফিরে পেতে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের ‘রোডমার্চ’

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 4 saat önce
চট্টগ্রামে আমানত ফিরে পেতে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের ‘রোডমার্চ’

আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামে ‘রোডমার্চ’ কর্মসূচি পালন করেছেন একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকেরা। আজ বুধবার দুপুরে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন-চট্টগ্রাম বিভাগ’—এর ব্যানারে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এর আগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘দুই বছর ধরে আমরা নিজেদের কষ্টার্জিত টাকা তুলতে পারছি না। অনেক প

আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামে ‘রোডমার্চ’ কর্মসূচি পালন করেছেন একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকেরা। আজ বুধবার দুপুরে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন-চট্টগ্রাম বিভাগ’—এর ব্যানারে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এর আগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘দুই বছর ধরে আমরা নিজেদের কষ্টার্জিত টাকা তুলতে পারছি না। অনেক পরিবার আজ চরম মানবিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। সন্তানের লেখাপড়ার খরচ, অসুস্থ বাবা-মায়ের চিকিৎসা, নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়—সবকিছু সামলাতে গিয়ে মানুষ দিশাহারা হয়ে পড়েছে। অনেকেই ঋণের বোঝায় জর্জরিত।’ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান পাইনি। ১০ এপ্রিল ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ জারি হলেও সেখানে সাধারণ আমানতকারীদের স্বার্থ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি; বরং নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা ও বৈষম্যমূলক নীতির কারণে আমানতকারীরা আরও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না। আমরা আমাদের নিজের টাকা চাই।’ আমানতকারীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে হেয়ার কাট নীতি (মুনাফা কেটে রাখা) বাতিল করে আমানতকারীদের পূর্ণ অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করা; সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর লেনদেন দ্রুত স্বাভাবিক করা; এফডিআর, ডিপিএস এবং অন্যান্য আমানতের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী গ্রাহকদের পরিশোধ নিশ্চিত করা এবং পূর্বঘোষিত ও চুক্তিভিত্তিক মুনাফার হার বহাল রাখা। সংবাদ সম্মেলন শেষে রোডমার্চ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি শারমিন আক্তার বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কেউ চাকরিজীবী, কেউ প্রবাসী, কেউ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। জীবনের সঞ্চয়, পেনশনের টাকা, জমি বিক্রির অর্থ, প্রবাসজীবনের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স কিংবা পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য জমানো অর্থ আমরা ব্যাংকে রেখেছিলাম। কারণ, আমরা বিশ্বাস করেছিলাম, ব্যাংক আমাদের আমানতের নিরাপদ আশ্রয়। কিন্তু সে আমানত আমরা এখন ফিরে পাচ্ছি না।’ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সাধারণ আমানতকারী। আমাদের কোনো দলীয় শক্তি নেই, কোনো রাজনৈতিক শক্তি নেই। আমাদের একমাত্র ভরসা দেশের জনগণের নির্বাচিত সরকার। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, আসন্ন বাজেট ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তে আমানতকারীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হোক। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে এই সংকটের সমাধান করা হোক।’ উল্লেখ্য, একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকে হেয়ার কাট বাতিল এবং লেনদেন স্বাভাবিক করার দাবিতে চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন আমানতকারীরা। ব্যাংকগুলো হলো এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংকে প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারীর মোট ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে। এর আগে গত মে মাসে চট্টগ্রামে এই পাঁচ ব্যাংকের অন্তত ৯টি শাখায় তালা দেন আমানতকারীরা।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön