রোলেক্সও মুগ্ধ প্রিয়াঙ্কা চোপড়ায়: বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ঘড়ি ব্র্যান্ডের নতুন গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর তিনি
বিলাসিতার জগতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার যাত্রা যেন থামছেই না। এবার সেই সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি উজ্জ্বল পালক। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সুইস ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলেক্স ২০২৬ সালের জন্য প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে তাদের নতুন গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করেছে। রোলেক্স সাধারণত এমন ব্যক্তিত্বদেরই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেয়, যাদের কাজ ও অর্জন দীর্ঘমেয়াদে মানুষের মনে প্রভাব ফেলে। শিল্প, সংস্কৃতি, ক্রীড়া কিংবা সমাজে যারা নিজেদের স্বাক্ষর রেখে যান, তাদেরই জায়গা হ
বিলাসিতার জগতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার যাত্রা যেন থামছেই না। এবার সেই সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি উজ্জ্বল পালক। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সুইস ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলেক্স ২০২৬ সালের জন্য প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে তাদের নতুন গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করেছে। রোলেক্স সাধারণত এমন ব্যক্তিত্বদেরই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেয়, যাদের কাজ ও অর্জন দীর্ঘমেয়াদে মানুষের মনে প্রভাব ফেলে। শিল্প, সংস্কৃতি, ক্রীড়া কিংবা সমাজে যারা নিজেদের স্বাক্ষর রেখে যান, তাদেরই জায়গা হয় এই অভিজাত তালিকায়। সেই বিশেষ তালিকায় এবার যুক্ত হলেন প্রিয়াঙ্কা। View this post on Instagram A post shared by ROLEX (@rolex) ২০০০ সালে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান তিনি। এরপর বলিউডে একের পর এক সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে। ‘ফ্যাশন’, ‘বারফি!’ কিংবা ‘বাজিরাও মাস্তানি’র মতো চলচ্চিত্রে তার অভিনয় এখনও দর্শকদের মনে গেঁথে আছে। তবে প্রিয়াঙ্কার গল্প শুধু বলিউডে সীমাবদ্ধ নয়। খুব কম ভারতীয় তারকার মতোই তিনি সফলভাবে পা রেখেছেন হলিউডে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘পার্পল পেবল পিকচার্স’, চালু করেছেন ‘অ্যানোমালি’ নামের হেয়ার কেয়ার ব্র্যান্ড এবং নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও। বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোর কাছেও প্রিয়াঙ্কা দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি নাম। ২০২১ সাল থেকে তিনি ইতালিয়ান জুয়েলারি হাউস বুলগারির গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর। চলতি বছরের শুরুতে যুক্ত হয়েছেন ব্রিটিশ বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা বেন্টলির সঙ্গেও। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো রোলেক্স—যে নামটি শুধু একটি ঘড়ি নয়, বরং মর্যাদা, ঐতিহ্য ও সাফল্যের প্রতীক। বর্তমানে প্রিয়াঙ্কার ব্র্যান্ড পোর্টফোলিওতে রয়েছে বুলগারি, বেন্টলি, ম্যাক্স ফ্যাক্টর, ওবাগি, প্যানটিন, গ্যাপ, বাম্বল এবং অ্যানোমালির মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। ফ্যাশন ও বিলাসিতার জগতে তার অবস্থান যে কতটা শক্তিশালী, এই তালিকাই তার প্রমাণ। তবে প্রিয়াঙ্কার পরিচয় শুধু একজন তারকা বা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নয়। শিশু অধিকার নিয়ে জাতিসংঘের ইউনিসেফের সঙ্গে তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। ২০১০ সালে ভারতের ন্যাশনাল অ্যাম্বাসেডর এবং পরে গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি অর্জন করেছেন পদ্মশ্রী, একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় জায়গা। রোলেক্সের সঙ্গে এই নতুন অংশীদারিত্ব তাই কেবল একটি ব্র্যান্ড চুক্তি নয়। এটি এমন এক নারীর স্বীকৃতি, যিনি বারবার নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন, ভেঙেছেন ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক সীমারেখা, এবং হয়ে উঠেছেন সত্যিকারের এক বৈশ্বিক আইকন। সময়ের মূল্য বোঝে রোলেক্স। আর সময়কে নিজের পক্ষে কাজে লাগানোর শিল্প জানেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তাই এই জুটি যেন একেবারেই সময়োপযোগী।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →