গফরগাঁওয়ে ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
গফরগাঁওয়ে ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে স্বামীর হাত-পা, চোখ-মুখ বেঁধে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আজ বুধবার সকালে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় থানায় গিয়ে পুলিশকে বিস্তারিত জানায় ভুক্তভোগী পরিবার। সাত থেকে আটজনের একটি দল ওই নারীকে ধর্ষণের পর পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে যায় বলে অভিযোগ। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ভুক্তভোগীর পরিবার চিনতে পেরেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে স্বামীর হাত-পা, চোখ-মুখ বেঁধে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আজ বুধবার সকালে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় থানায় গিয়ে পুলিশকে বিস্তারিত জানায় ভুক্তভোগী পরিবার। সাত থেকে আটজনের একটি দল ওই নারীকে ধর্ষণের পর পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে যায় বলে অভিযোগ। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ভুক্তভোগীর পরিবার চিনতে পেরেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ থানায় আছেন। লিখিত এজাহার দেওয়ার পর তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ (২০) কৃষক স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করেন। গতকাল দিবাগত রাত একটার দিকে সাত থেকে আটজনের একটি দল দরজা ভেঙে ওই গৃহবধূর ঘরে ঢোকে। তারা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূর স্বামীর হাত-পা, চোখ ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে নারীকে পাশের নির্জন জায়গায় নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ওই নারী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে তাঁর মায়ের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ওই গৃহবধূ ও তাঁর মাকে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে তারা চলে যায়। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখায় আমরা চিৎকার করে মানুষ ডাকতে পারিনি। পুরো দলে আটজন ছিল। এর মধ্যে তিন থেকে চারজনকে আমি চিনেছি।’ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে গফরগাঁওয়ের পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দলবদ্ধ ধর্ষণের মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। তাঁরা লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যারা এসেছিল, তাদের চিনতে পেরেছেন। ওই নারীর প্রতিবেশীরাই এই কাজ করেছেন। জমিজমা নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে এই কাজ করতে পারেন বলে আমাদের ধারণা। পুলিশ জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে ইতিমধ্যে অভিযান শুরু করেছে।’ তিনি বলেন, ওই নারী এখন অসুস্থ। থানায় আছেন। এজাহার দেওয়ার পর তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön