রবিনের পদোন্নতি প্রত্যাখ্যানের পর, বসের সাথে দ্বীপে আটকা পড়ে বেঁচে থাকার কাহিনী
অফিসে বছরের পর বছর হাড়ভাঙা খাটুনি। কথা ছিল মিলবে কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি। কিন্তু নতুন বস চেয়ারে বসেই সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘আপনি পদোন্নতির যোগ্য নন!’ এমন বসের ওপর রাগ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে সেই নাকউঁচু বসই যদি অধস্তন সেই কর্মীর সঙ্গে এক নির্জন দ্বীপে আটকা পড়েন এবং নিজের প্রাণ বাঁচাতে পুরোপুরি তাঁর ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তখন সমীকরণটা কেমন দাঁড়াবে? এমনই এক অদ্ভুত (অনেকাংশে ভৌতিক) ‘সারভাইভালের’ গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন সিনেমা ‘সেন্ড হেল্প’। আর এই ছবির হাত ধরেই দীর্ঘ বিরতি শেষে নিজে
রবিন কর্মস্থলে বহু বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে পদোন্নতির প্রত্যাশা করছিলেন, কিন্তু নতুন বস তাকে শূন্য বলে জানিয়ে দিলেন। নতুন বসের সাথে একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একমাত্র বেঁচে থাকা দুজনই একটি নির্জন দ্বীপে আটকা পড়ে। বসের আঘাত ও অভিজ্ঞতার অভাবে তাকে রবিনের উপর নির্ভর করতে হয়, আর রবিনের সারভাইভাল দক্ষতার কারণে দুজনের সম্পর্ক বদলে যায়। ছবির নাম ‘সেন্ড হেল্প’, পরিচালক স্যাম রাইমি, যিনি বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি চলচ্চিত্রে স্বকীয়তা হারিয়েছিলেন, এবার ছোট বাজেটের চলচ্চিত্রে নিজেকে পুনরুদ্ধার করেন। গল্পটি কর্পোরেট ক্ষমতার বিপরীতমুখীতা ও মানবিক সম্পর্ককে তুলে ধরে।
চলচ্চিত্রটি কর্পোরেট সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের সংঘর্ষকে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করে, যা দর্শকদের মধ্যে শক্তিশালী প্রভাব ফেলে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →