ভারত জোর করে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
ভারত জোর করে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

এইচআরডব্লিউ মনে করে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করাটা মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। এ ছাড়া মানুষকে খাদ্য, পানি, আশ্রয় বা চিকিৎসাসেবা ছাড়া ফেলে রাখাটা নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণের শামিল হতে পারে। ভারতের কর্তৃপক্ষ পশ্চিমবঙ্গে বসবাসরত অনেক মুসলিম বাঙালিকে ন্যূনতম আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই জোর করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। তারা মনে করে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করাটা মৌ

এইচআরডব্লিউ মনে করে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করাটা মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। এ ছাড়া মানুষকে খাদ্য, পানি, আশ্রয় বা চিকিৎসাসেবা ছাড়া ফেলে রাখাটা নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণের শামিল হতে পারে। ভারতের কর্তৃপক্ষ পশ্চিমবঙ্গে বসবাসরত অনেক মুসলিম বাঙালিকে ন্যূনতম আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই জোর করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। তারা মনে করে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করাটা মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে মানবাধিকার সংস্থাটি এমন উদ্বেগ জানিয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পরিবারগুলোকে নির্মমভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বা সীমান্তে আটকে রেখে দিচ্ছে, তাদের মৌলিক মানবাধিকারকে উপেক্ষা করছে। সরকারকে (ভারত) অবৈধভাবে মানুষকে বহিষ্কার বন্ধ করতে হবে, যথাযথ আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে এবং মুসলিমদের প্রতি এই উদ্বেগজনক বৈরিতার অবসান করতে হবে।’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের চালানো এ ধরনের ২১টি চেষ্টা তারা প্রতিহত করেছে। এই ২১ ঘটনায় শিশুসহ ২০০ জনের বেশি মানুষকে বাংলাদেশের সীমান্ত জেলাগুলোতে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মার্চের নির্বাচনে তাঁর দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয় পাওয়ার পর তাঁর সরকারের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতির আওতায় শত শত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের চালানো এ ধরনের ২১টি চেষ্টা তারা প্রতিহত করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, তারা ৯ জন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁরা বলেছেন, বিএসএফের সদস্যরা রাতে দলে দলে মানুষকে সীমান্তে এনে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা সেই মানুষদের আবার ফিরে যেতে দেয়। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা পঞ্চগড়ে ৫ জুন শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হলে ৭৫ ঘণ্টার দীর্ঘ অচলাবস্থা তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল হোসেন এইচআরডব্লিউকে বলেন, ওই দলটি বাংলাদেশের ভেতরে প্রায় ৫০ ফুট জায়গা পর্যন্ত ঢুকে পড়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি বিজিবিকে জানান। পরে বিজিবির সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে তাঁরা পিছু হটে নো ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান নেন। আটকে পড়া ব্যক্তিদের অবস্থা বর্ণনা করে প্রত্যক্ষদর্শী রুবেল হোসেন বলেন, প্রথম রাতে ওই মানুষগুলো প্রচণ্ড বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে ছিল। দ্বিতীয় দিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা কিছু শুকনা খাবার সরবরাহ করে। রুবেল বলেন, ‘আমি যা দেখেছি, তা ছিল যুদ্ধের মতো এক অচলাবস্থা। সেখানে বিএসএফ ও বিজিবি দুই পক্ষেরই বড় সংখ্যার সদস্য মোতায়েন ছিল।’ রুবেল হোসেন আরও বলেন, সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে বারবার স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিএসএফ দলটিকে আবার ভারতের দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ৬ জুন ভোরে বিএসএফের সদস্যরা দুটি বাঙালি মুসলিম পরিবারের ছয় সদস্যকে বাংলাদেশের তেঁতুলবাড়িয়া সীমান্তের দিকে ঠেলে দেন। বিজিবি তাদের প্রবেশে বাধা দেয়। বিএসএফও তাদের ভারতে ফিরতে দেয়নি। এমন অবস্থায় পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হয়। পরদিন তাদের আবার ভারতে ফিরে যেতে দেওয়া হয়। বিজিবির বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮ জুন ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টা শূন্যরেখায় (সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডের সরু অংশে) আটকে থাকার পর বিএসএফ ১১ জনকে ভারতের দিকে ফিরিয়ে দেয়। তাঁদের মধ্যে এক গর্ভবতী নারীও ছিলেন। এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্চে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ঠিক আগে ভারতের নির্বাচন কমিশন তাড়াহুড়া করে ভোটার তালিকায় নিবীড় সংশোধন (এসআইআর) আনে। এর মাধ্যমে ৯০ লাখের বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এতে অনেকের মধ্যে আটক ও বহিষ্কারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্চে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ঠিক আগে ভারতের নির্বাচন কমিশন তাড়াহুড়া করে ভোটার তালিকায় নিবীড় সংশোধন (এসআইআর) আনে। এর মাধ্যমে ৯০ লাখের বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এতে অনেকের মধ্যে আটক ও বহিষ্কারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) লোগো ২০১৯ সালে ভারতের আসাম রাজ্যে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের একটি ত্রুটিপূর্ণ ও বৈষম্যমূলক প্রক্রিয়ার কারণে ১৯ লাখের বেশি মানুষ রাষ্ট্রহীন অবস্থার মধ্যে পড়ে যান। এরপর হাজার হাজার বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে আটককেন্দ্রে রাখা হয় এবং অনেককে অবৈধভাবে বহিষ্কার করা হয়। এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বারবার রাজ্যের বাংলা ভাষাভাষী মুসলিমদের ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সীমান্তের কাছাকাছি একটি সুবিধাজনক স্থানে নিয়ে যাই এবং সেখান থেকে সরাসরি সীমান্ত পার করে দিই। সেখানে এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যে কিছু কথিত অবৈধ বাংলাদেশি নিজেরাই ফিরে যেতে শুরু করেছে।’ পঞ্চগড়ের বাসিন্দা হাসিবুল ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির একটি ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তাদের কাছে ভারতের আধার কার্ড ছিল, তবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় পুলিশ তাদের আটক করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছিল। বিএসএফ তাদের বাংলাদ

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön