এই দলগুলো অশান্তি করার সুযোগ পেলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না: প্রধানমন্ত্রী

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
এই দলগুলো অশান্তি করার সুযোগ পেলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না: প্রধানমন্ত্রী

যে বাজেটে জনগণের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়, সেই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলছেন, ‘যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সেটি সংসদের ভেতরেই হোক, সেটি সংসদের বাইরেই হোক; তাদের ব্যাপারে আপনাদেরকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ এই সকল লোকেরা এই সকল দলগুলো দেশে যদি অশান্তি করার সুযোগ পায় তাহলে আমরা ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না।’ আজ বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

যে বাজেটে জনগণের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়, সেই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলছেন, ‘যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সেটি সংসদের ভেতরেই হোক, সেটি সংসদের বাইরেই হোক; তাদের ব্যাপারে আপনাদেরকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ এই সকল লোকেরা এই সকল দলগুলো দেশে যদি অশান্তি করার সুযোগ পায় তাহলে আমরা ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না।’ আজ বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদে পেশ করা বাজেটের সমালোচনাকারীদের প্রসঙ্গে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘যেই বাজেটে ৬০টি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, সেই বাজেটকে একটি দল বলে গণবিরোধী বাজেট। এখন জনগণের জন্য যেই বাজেটের সব ব্যবস্থা রেখেছি, সেই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা কি কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে? তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না।’ উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই বাজেটের মধ্যে অর্থ বরাদ্দ রেখেছি এবং একই সঙ্গে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য চাল, ডাল, তেল, নুন, চিনি এইসবের ওপরে যে শুল্ক আগে ছিল, সেই শুল্ক আমরা যে ট্যাক্স ছিল, সে ট্যাক্সও আমরা উঠিয়ে নিয়েছি, যাতে জিনিসের দাম না বাড়ে, জনগণের কথা চিন্তা করে আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছি এই বাজেটে।’ অনুষ্ঠানে ১০ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তারেক রহমান বলেন, ‘যেই বাজেটে আমরা মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের বরাদ্দ রেখেছি, প্রতিবন্ধী মানুষ, শিক্ষার্থী জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, যেই বাজেটে আমরা মানুষের স্বাস্থ্যসুবিধার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, সেই বাজেট নাকি চানাচুরের মতো শুনেছেন এই কথা কিছু কিছু লোক বলেছে।’ দেশের কৃষক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটে কৃষকদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী জুলাই মাস থেকে এক বছরের মধ্যে দেশের ৪০ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে। একইভাবে আগামী ১ বছরে আরও ৪০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। সরকার গঠনের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার। আমরা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা-বাগানের নারী শ্রমিকদের আবাসনের সুবিধা নিশ্চিত করতে ৫০ জনকে ঘর নির্মাণের জন্য দুই লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে।’ চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে হবিগঞ্জে জনসভায় বলেছিলাম বিএনপি যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই তাহলে চা–বাগানে কর্মরত চা–শ্রমিক মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেব। আজকে আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া জানাই, আল্লাহ আমাকে তৌফিক দিয়েছেন যে আজকে আমি কথা রাখতে পেরেছি। আজকে চা–বাগানের নারী শ্রমিকদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে জমল বৃষ্টির পানি, বাতাসে ভেঙে পড়ল প্যান্ডেল প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে বাজেট পেশ করেছি, সেখানে দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি। আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কারÑগ্রাম ও উপজেলার মানুষ যেন ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা পায়। এর পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার জন্য বাজেটে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দেশের শিল্পোদ্যোক্তা ও মিল-কারখানাগুলোকে রক্ষার জন্য সরকার বিশেষ সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে তৈরি পণ্যের সুরক্ষায় বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সমজাতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, যাতে স্থানীয় কারখানাগুলো সচল থাকে। আর এই কারখানাগুলো চললে দেশের বেকার যুবরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার এই ব্যবস্থাগুলোও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যারা বলে কোত্থেকে আসবে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—Ñএই জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না আমরা। জনগণের টাকা দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করা হবে, জনগণের অর্থ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করা হবে, দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে, জনগণের জন্য কাজ করা হবে। কাজেই ইনশা আল্লাহ টাকার কোনো অভাব হবে না। আসুন, যারা এই দেশ থেকে টাকা পাচার করেছে, যারা এই দেশ থেকে টাকা বাইরে পাঠাতে চায়, জনগণের অর্থ টাকা বিদেশে পাঠাতে চায়, আমরা আজ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করব। আমরা যদি সকলে চোখ-কান খোলা রাখি, তাহলে এই দেশের মানুষের অর্থ-সম্পদ কেউ বিদেশে পাচার করতে পারবে না।’ জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কি চান এই উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী পাঁচ বছর অব্যাহত থাকুক? আপনারা কি চান দেশের সকল মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাক? তাহলে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন।’ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön