এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬। ভূগোল ১ম পত্র (অধ্যায়–৫): বায়ুপ্রবাহ নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়
ভূগোল ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন অধ্যায়–৫ প্রিয় শিক্ষার্থী, শুভেচ্ছা রইল। আগামী মাসেই তোমাদের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। আজ ভূগোল প্রথম পত্র থেকে একটি সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো। নিচের চিত্র দেখে প্রশ্নের উত্তর দাও। প্রশ্ন ক. বায়ুপ্রবাহ কী? খ. নিয়ত বায়ু বলতে কী বোঝায়? গ. চিত্রে ‘খ’ চিহ্নিত অঞ্চলের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে ‘ক’ ও ‘গ’ চিহ্নিত অঞ্চলের জলবায়ুর তাপমাত্রাগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করো। উত্তর ক. ভূপৃষ্ঠের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বা
ভূগোল ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন অধ্যায়–৫ প্রিয় শিক্ষার্থী, শুভেচ্ছা রইল। আগামী মাসেই তোমাদের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। আজ ভূগোল প্রথম পত্র থেকে একটি সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো। নিচের চিত্র দেখে প্রশ্নের উত্তর দাও। প্রশ্ন ক. বায়ুপ্রবাহ কী? খ. নিয়ত বায়ু বলতে কী বোঝায়? গ. চিত্রে ‘খ’ চিহ্নিত অঞ্চলের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে ‘ক’ ও ‘গ’ চিহ্নিত অঞ্চলের জলবায়ুর তাপমাত্রাগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করো। উত্তর ক. ভূপৃষ্ঠের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ুর চলাচলই বায়ুপ্রবাহ। খ. বায়ুপ্রবাহের ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ভূপৃষ্ঠের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে যে বায়ু সারা বছর নিয়মিত প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। নিয়ত বায়ুর অপর নাম প্রবহমান বায়ু বা স্থায়ী বায়ুপ্রবাহ। বায়ুপ্রবাহ উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সময় উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাঁ দিকে বেঁকে যায়। গ. চিত্রে ‘খ’ চিহ্নিত অঞ্চলগুলো হলো উত্তর ও দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল। এ অঞ্চলের উষ্ণতা দুই ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণতা অপেক্ষা কম বলে এদের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ। উত্তরে কর্কটক্রান্তি রেখা থেকে সুমেরু বৃত্ত (৩৩ ১ / ২ –৬৬ ১ / ২ ) ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তি রেখা থেকে কুমেরু বৃত্ত (৩৩ ১ / ২ –৬৬ ১ / ২ ) ডিগ্রি দক্ষিণ পর্যন্ত প্রসারিত স্থানকে যথাক্রমে উত্তর এবং দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল বলে। এ অঞ্চল দুটি সারা বছরই মধ্যম উষ্ণ থাকে। গড় উষ্ণতা মোটামুটি ০° থেকে ২৭° সে.–এর মধ্যে থাকে। উত্তর ও দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে একত্রে সর্বাধিক বিস্তৃতি ৪৮০০ কিমি হওয়ায় এদের যে সীমানায় মেরুবৃত্ত অবস্থিত, সেখানকার উষ্ণতা দুই ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণতা অপেক্ষা কম। এ জন্য এই দুই মণ্ডলের জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ। ঘ. চিত্রে ‘ক’ চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো উষ্ণমণ্ডল এবং ‘গ’ চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো উত্তর ও দক্ষিণ হিমমণ্ডল। নিম্নে অঞ্চল দুটির জলবায়ুর তাপমাত্রাগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো: নিরক্ষরেখার দুই দিকে অর্থাৎ উত্তর থেকে দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত স্থানকে উষ্ণমণ্ডল বলা হয়। এ অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময় সূর্যরশ্মি প্রায় খাড়াভাবে পড়ে এবং কোনো সময়ই দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্যের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য হয় না। অঞ্চলটির বার্ষিক গড় তাপমাত্রার পরিমাণ ২৭° সেলসিয়াস। অপর দিকে পৃথিবীর উত্তর প্রান্তের সুমেরু বৃত্ত থেকে সুমেরু বিন্দু (অর্থাৎ ৬৬ ১ / ২ - ৯০° উত্তর) এবং দক্ষিণ প্রান্তের কুমেরু বৃত্ত থেকে কুমেরু বিন্দু (অর্থাৎ ৬৬ ১ / ২ উত্তর - ৯০° দ.) পর্যন্ত অংশে সারা বছরই সূর্যরশ্মি তির্যকভাবে পড়ায় উষ্ণতা বেশ কমই পাওয়া যায়। ফলে এ অঞ্চল দুটিকে যথাক্রমে উত্তর ও দক্ষিণ হিমমণ্ডল বলা হয়। এ অঞ্চল দুটি সারা বছর বরফে আবৃত থাকায় এদের হিমমণ্ডল বলে। নিজ নিজ মণ্ডলে সব জায়গায় উত্তাপ একই থাকে না। স্থানবিশেষ জলবায়ুর নিয়ামকগুলো উত্তাপের সমতার তারতম্য ঘটে। মো. শাকিরুল ইসলাম, প্রভাষক ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →