চিকিৎসার জন্য এক মাসের মধ্যে দুই লাখ টাকা দিতে নির্দেশ

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 4 saat önce
চিকিৎসার জন্য এক মাসের মধ্যে দুই লাখ টাকা দিতে নির্দেশ

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার কামারকান্দা পুলিশ বক্সের সামনে পুলিশের গুলিতে সাত বছর আগে গুরুতর আহত হওয়া সাহাদত হোসেনকে (শ্যামল) চিকিৎসার জন্য এক মাসের মধ্যে দুই লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার রুলসহ এ আদেশ দেন। ওই ঘটনায় সাহাদত হোসেনকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ঢাকার কেরানীগঞ্জের ছেলে

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার কামারকান্দা পুলিশ বক্সের সামনে পুলিশের গুলিতে সাত বছর আগে গুরুতর আহত হওয়া সাহাদত হোসেনকে (শ্যামল) চিকিৎসার জন্য এক মাসের মধ্যে দুই লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার রুলসহ এ আদেশ দেন। ওই ঘটনায় সাহাদত হোসেনকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ঢাকার কেরানীগঞ্জের ছেলে সাহাদত হোসেন পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন ২০১৯ সালের ১৪ মার্চ। ঘটনাস্থল ছিল মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার কামারকান্দা পুলিশ বক্সের সামনে। তখন সাহাদতের বয়স ছিল ২০ বছর। আদালত আজ সাহাদতকে চিকিৎসার জন্য দুই লাখ টাকা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, আইনসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, সিরাজদিখান থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শহিদুল ইসলাম, কনস্টেবল সাইফুলসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ঘটনার পরপরই ‘পায়ে গুলি করে পুলিশের দুঃখ প্রকাশ’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ‘রাষ্ট্র পেল গুলির দাম, কিছুই পেল না গুলিবিদ্ধ তরুণ’ শিরোনামে ২০২৩ সালের ২১ জুন প্রথম আলোতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। রাষ্ট্র পেল গুলির দাম, কিছুই পেল না গুলিবিদ্ধ তরুণ প্রতিবেদন দুটি যুক্ত করে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক গত বছর ওই রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন ও মো. শাহীনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফারুক হোসেন ও সাইফুজ্জামান তুহিন এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফুয়াদ হাসান। এ ঘটনায় সেই সময় মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র বিষয়টি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নজরে আনলে মানবাধিকার কমিশন তদন্ত দল গঠন করেছিল। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের অসতর্কতায় গুলি খেয়ে একজন মানুষের চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করার বিষয়টি অত্যন্ত মর্মান্তিক। এর দায়ভার কোনোক্রমেই রাষ্ট্র এড়াতে পারে না। কমিশন সাময়িক ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাহাদতকে দুই লাখ টাকা দিতে বলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে। পরে কমিশনের এক শুনানিতে সাহাদত হোসেনকে ক্ষতিপূরণ না দেওয়া এবং অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি এসেছে।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön