আদালতে এসেছিলেন হাজিরা দিতে, বারান্দার বেঞ্চে ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
আদালতে এসেছিলেন হাজিরা দিতে, বারান্দার বেঞ্চে ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে

আদালতের বারান্দায় যে যাঁর মতো ব্যস্ততা নিয়ে চলাচল করছিলেন। এ সময় বারান্দায় রাখা বসার বেঞ্চে শুয়ে ছিলেন হাফ শার্ট ও লুঙ্গি পরা এক ব্যক্তি। বেঞ্চের নিচে রেখেছেন পরনের স্যান্ডেল। বেশ কিছুক্ষণ সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় কয়েকজনের। পরে বিষয়টি আদালত পুলিশকে জানান তাঁরা। পরে পুলিশসহ লোকজন কাছে গিয়ে দেখেন ওই ব্যক্তি মারা গেছেন। আজ বুধবার বেলা দুইটার দিকে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার বারান্দায় এ ঘটনা ঘটে। প্রথম দিকে ওই ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া না গেলেও পরে তা

আদালতের বারান্দায় যে যাঁর মতো ব্যস্ততা নিয়ে চলাচল করছিলেন। এ সময় বারান্দায় রাখা বসার বেঞ্চে শুয়ে ছিলেন হাফ শার্ট ও লুঙ্গি পরা এক ব্যক্তি। বেঞ্চের নিচে রেখেছেন পরনের স্যান্ডেল। বেশ কিছুক্ষণ সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় কয়েকজনের। পরে বিষয়টি আদালত পুলিশকে জানান তাঁরা। পরে পুলিশসহ লোকজন কাছে গিয়ে দেখেন ওই ব্যক্তি মারা গেছেন। আজ বুধবার বেলা দুইটার দিকে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার বারান্দায় এ ঘটনা ঘটে। প্রথম দিকে ওই ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া না গেলেও পরে তাঁর আইনজীবীর সহকারী ও পরিচিত লোকজন পরিচয় নিশ্চিত করেন। মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম ময়নুল হক (৫৫)। তিনি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি জমিসংক্রান্ত বিরোধের একটি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। মারা গেছেন বুঝতে পারার পর প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা ওই ব্যক্তির মরদেহ বেঞ্চের ওপরেই রাখা ছিল। পরে বিকেল পৌনে চারটার দিকে তাঁর স্বজনদের উপস্থিতিতে আদালত পুলিশের সহায়তায় মরদেহ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠায় সদর থানার পুলিশ। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বারান্দার বেঞ্চে শোয়া অবস্থায় মারা যান হাজিরা দিতে আসা ব্যক্তি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ মারা যাওয়া ময়নুল ইসলামের মামলার আইনজীবীর সহকারী আনোয়ারুল ইসলান বলেন, ‘আজকে বিচারপতি পরিদর্শনে আসার কারণে আদালত বসেনি। ময়নুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি প্রথম দিকে এজলাসের ভেতরে থাকা পেছনের বেঞ্চে বসে ছিলেন। এ সময় তিনি একবার বমি করে বাইরে গিয়ে বারান্দায় রাখা বেঞ্চে বসেন। তাঁর শরীর খারাপ লাগছে কি না বা এমন কোনো সমস্যার কথাও কারও সঙ্গে শেয়ারও করেননি। পরে লোকজনের কাছে শুনে এসে দেখি তিনি বেঞ্চে শুয়েই মারা গেছেন।’ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দিপেন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, ‘দুপুর দুইটার দিকে আমি খাবার খাওয়ার জন্য বাইরে যাচ্ছিলাম। এ সময় দেখি ওই ব্যক্তি বারান্দায় বেঞ্চে শুয়ে আছেন। আশপাশে আরও দুই-একজন তাঁর দিকে তাকাচ্ছেন। সন্দেহ হলে কাছে গিয়ে দেখি তিনি নিশ্বাস নিচ্ছেন না। পরে একজন দুজন করে লোকজন জড়ো হলেন। পরে দেখি তিনি আসলেই মারা গেছেন।’ মারা যাওয়া ময়নুল হকের প্রতিবেশী ফয়সাল কবির বলেন, ‘আমার চাচা একটি মামলার হাজিরা দিতে সকালে আদালতে এসেছিলেন। দুপুরে তাঁর আইনজীবী ও মুহুরির মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে তিনি আদালতের বারান্দায় মারা গেছেন। আমার জানামতে তাঁর তেমন কোনো অসুস্থতা ছিল না। সকালে নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে তিনি আদালতে এসেছিলেন।’ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমন কুমার বণিক প্রথম আলোকে বলেন, ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপাতালে আনার বেশ কিছুক্ষণ আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা কঠিন। লাশ দেখে প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক মৃত্যুই হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön