ভবঘুরে শিল্পী লাইলী বেগমের গান শুনলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী, তুলে দিলেন অনুদানের টাকা

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 5 saat önce
ভবঘুরে শিল্পী লাইলী বেগমের গান শুনলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী, তুলে দিলেন অনুদানের টাকা

ফরিদপুরের আলোচিত ভাইরাল সংগীতশিল্পী ভবঘুরে লাইলী বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে তিনি লাইলী বেগমের হাতে ৩ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর অনুরোধে লাইলী বেগম গান গেয়ে শোনান। গানটি ছিল শ্যামাসংগীত, ‘সকলি তোমারই ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি/ তোমার কর্ম তুমি করো, লোকে বলে করি আমি...’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়

ফরিদপুরের আলোচিত ভাইরাল সংগীতশিল্পী ভবঘুরে লাইলী বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে তিনি লাইলী বেগমের হাতে ৩ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর অনুরোধে লাইলী বেগম গান গেয়ে শোনান। গানটি ছিল শ্যামাসংগীত, ‘সকলি তোমারই ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি/ তোমার কর্ম তুমি করো, লোকে বলে করি আমি...’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। উপস্থিত কয়েকজন জানান লাইলীর হৃদয়ছোঁয়া কণ্ঠ উপস্থিত সবাইকে বিমোহিত করে। তাঁর কণ্ঠের মুগ্ধতা ছুঁয়ে যায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার মধ্যে। ওই অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যা ছাড়াই মাটির কাছ থেকে উঠে এসেছেন লাইলী বেগম। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামও ছিলেন মাটির সন্তান। ফেসবুকে লাইলী বাউলের গান দেখে তাঁকে সহায়তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি লাইলী বেগমকে ফরিদপুর শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। ফরিদপুরের মাটির শিল্পী লাইলী বেগমের একটি গান সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর প্রতিভা ও সংগ্রামী জীবনের গল্প মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। ভবঘুরে সহজাত শিল্পী লাইলী বেগমের বয়স এখন ৬৫। ফরিদপুরের অলিগলিতে পদচারণের পাশাপাশি এই শহরের ধুলাবালুতেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। শহরতলির হারুকান্দি এলাকায় তাঁর ছোট্ট একটা ঠিকানা থাকলেও সে বাড়িতে বসবাস করেন না। নজরুলের গান গেয়ে ভাইরাল লাইলী বেগম কে, কী করেন যেখানে রাত, সেখানেই কাত স্বভাবের মানুষ লাইলী। গানের প্রতি অদম্য স্পৃহা তাঁকে টেনে নিয়ে যায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনে। শিল্পকলা একাডেমির মতো কোনো মঞ্চেরই হোক কিংবা অজপাড়া গাঁয়ে কোনো বাউলদের সঙ্গ, গানের আয়োজনের কথা শুনলে সেখানেই ছুটে যান লাইলী। গানের প্রতি চির অনুরাগী এই শিল্পীর বরাবরই আকর্ষণ আধ্যাত্মিক গানের প্রতি। কখনো লোকগান, কখনো কাওয়ালি, বাওয়ালি, লালনগীতি আর নজরুলগীতি গেয়ে মানুষের মন জয় করে থাকেন। গত ২৪ মে ফরিদপুরে নজরুলজয়ন্তীর এক অনুষ্ঠানে ‘নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল’ নজরুলের এই অমর গান গেয়ে মাত করে দিয়েছেন লাভলী বেগম। লাইলীর কণ্ঠে গানটি মুহূর্তের মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। লাইলী বেগমের হাতে ৩ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী লাইলী বেগম জানান, ছোটবেলা মায়ের হাত ধরেই গান শেখা হয় তাঁর। সে সময় একটি হারমোনিয়ামও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর মা। তিনি নৃত্যেও পারদর্শী ছিলেন। খুব অল্প বয়সেই বিয়ে হয় তাঁর। বিয়ের পরও গান গেয়ে যান, তবে কিছুটা বাধাও ছিল তাঁর স্বামীর। স্বামী তাঁর মতামত না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করলে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে যান লাইলী। সেই থেকেই তিনি সংসার বিরাগীর পথ বেছে নেন। লাইলী বেগমের ভাষায়, ‘আমি কখনো ভাবিনা যে আমি খুব পারদর্শী একজন গায়ক। শুধু আমি একজন আধ্যাত্মিক মানুষ। গানই আমার জীবন। গান ছাড়া আমি বাঁচতে পারি না। কারণ, গানই মানুষের আত্মার খোরাক। গান গাইলে নিজেরও ভালো লাগে, অন্যেরও ভালোবাসা পাওয়া যায়।’ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে সহায়তা পেয়ে দারুণ খুশি লাইলী বেগম। তিনি বলেন, ‘আমার মতো একজন শিল্পীকে সচিবালয়ে এনে সম্মান জানানো বড় বিষয়। এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön