এবার ‘গরিব মারার বাজেট’ স্লোগানে শিক্ষার্থীরা মিছিল করেনি: আইনমন্ত্রী

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 4 saat önce
এবার ‘গরিব মারার বাজেট’ স্লোগানে শিক্ষার্থীরা মিছিল করেনি: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এবারের বাজেট করের চাপ কমানোর বাজেট। গরিবের পক্ষের বাজেট। প্রতিবছর ঢাকায় বাজেট ঘোষণার পরে “গরিব মারার বাজেট” স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু এ বছর সেই মিছিল হয়নি। এবারের স্লোগান হচ্ছে, “মদের দাম বাড়ল কেন? সিগারেটের দাম বাড়ল কেন?”’ আজ বুধবার সকাল ১০টায় শহরের পবহাটি কলাহাট-সংলগ্ন এলাকায় ঝিনাইদহ পৌরসভা আয়োজিত আধুনিক কসাইখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুত

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এবারের বাজেট করের চাপ কমানোর বাজেট। গরিবের পক্ষের বাজেট। প্রতিবছর ঢাকায় বাজেট ঘোষণার পরে “গরিব মারার বাজেট” স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু এ বছর সেই মিছিল হয়নি। এবারের স্লোগান হচ্ছে, “মদের দাম বাড়ল কেন? সিগারেটের দাম বাড়ল কেন?”’ আজ বুধবার সকাল ১০টায় শহরের পবহাটি কলাহাট-সংলগ্ন এলাকায় ঝিনাইদহ পৌরসভা আয়োজিত আধুনিক কসাইখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীদের নিরাপত্তা ও উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ইতিমধ্যে ঝিনাইদহসহ সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। আজ ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। কসাইখানার উদ্বোধনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যত্রতত্র গরু-ছাগল জবাই করলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু-ছাগল জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কসাইখানা স্থাপন করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইদহেও আজ এটি উদ্বোধন করা হলো। আপনারা বাইরে উন্মুক্ত স্থানে গরু-ছাগল জবাই না করে এই কসাইখানায় জবাই করবেন, তাহলে পরিবেশ ও সুস্বাস্থ্য—দুটোই বজায় থাকবে।’ মাদকের বিস্তার নিয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নিয়েছে। আপনার আশপাশে যেখানেই মাদক ব্যবসায়ী দেখবেন, আমাকে জানাবেন। ঝিনাইদহে সর্বোচ্চ ১০০ জন মাদক ব্যবসায়ী আছেন। তাঁদের জন্য জেলার মানুষের জীবন বিপন্ন হতে পারে না। তাঁদের আইনে সোপর্দ করতে হবে, কারাগারে রেখে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে হবে; ক্রসফায়ার সমাধান নয়।’ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশ সুপার মিয়া মো. আশিস বিন হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ উপস্থিত ছিলেন। ১০ কোটি ৮২ লাখ ৩১ হাজার টাকা ব্যয়ে ঝিনাইদহ পৌরসভার এলডিডিপির অর্থায়নে ২০২৩ সালে পৌর এলাকার পবহাটী কলাহাট এলাকায় ৪৯ শতক জমির ওপর এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রতি ঘণ্টায় এখানে ২টি আলাদা স্লটার মেশিনে ১০টি গরু ও ২০টি ছাগল নিরাপদভাবে জবাই করে প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন পৌর প্রশাসক রবীন্দ্রনাথ রায়। এ ছাড়া এখানে নিজস্ব সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসানো হয়েছে।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön