একটি জার্সির দাম ৪৬ হাজার টাকা, কেন এত দামি হোস্ট সিটি জার্সি
ফিফার তৈরি বিশেষ ‘হোস্ট সিটি’ জার্সিগুলো গায়ে পরার চেয়ে বোধ হয় সাজিয়ে রাখাই লাভজনক হবে। কারণ, এসব সংগ্রহে রাখার জন্যই বানানো, অর্থাৎ লিমিটেড এডিশন। আর প্রতিটি শহরের জন্য মাত্র ৯৯৯টি তৈরি হওয়া এই জার্সির নকল ঠেকাতে আছে আধুনিক এনএফসি প্রযুক্তি। ফিফা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বিশেষ ডিজাইনের লিমিটেড এডিশন জার্সি বাজারে ছেড়েছে, যা হোস্ট সিটি জার্সি নামে পরিচিত সবাই মেতেছে ফুটবল বিশ্বকাপে। প্রিয় দলের জার্সি কিনতে ছোট-বড় সব দোকানেই ভিড়। যে যার পছন্দের দলের ফ্যান কিংবা প্লেয়ার এডিশন জার
ফিফার তৈরি বিশেষ ‘হোস্ট সিটি’ জার্সিগুলো গায়ে পরার চেয়ে বোধ হয় সাজিয়ে রাখাই লাভজনক হবে। কারণ, এসব সংগ্রহে রাখার জন্যই বানানো, অর্থাৎ লিমিটেড এডিশন। আর প্রতিটি শহরের জন্য মাত্র ৯৯৯টি তৈরি হওয়া এই জার্সির নকল ঠেকাতে আছে আধুনিক এনএফসি প্রযুক্তি। ফিফা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বিশেষ ডিজাইনের লিমিটেড এডিশন জার্সি বাজারে ছেড়েছে, যা হোস্ট সিটি জার্সি নামে পরিচিত সবাই মেতেছে ফুটবল বিশ্বকাপে। প্রিয় দলের জার্সি কিনতে ছোট-বড় সব দোকানেই ভিড়। যে যার পছন্দের দলের ফ্যান কিংবা প্লেয়ার এডিশন জার্সি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এর মধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের চোখ কপালে তুলেছে ফিফা ‘হোস্ট সিটি’ জার্সির দাম। এর একেকটি জার্সি কিনতে গুনতে হবে প্রায় ৪৬ হাজার টাকা! সাধারণ কোনো জার্সির চেয়ে এটি কেন এত আলাদা? আর কী এমন বিশেষ কারণ আছে, যার জন্য দাম এত বেশি? গত মে মাসের শুরুর দিকে ফিফা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বিশ্বকাপ আয়োজক শহরগুলোর জন্য বিশেষ ডিজাইনের সীমিতসংখ্যক কিছু জার্সি বিক্রির জন্য ছেড়েছিল। এর প্রতিটির দাম রাখা হয়েছে ৩৭৫ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৬ হাজার টাকা। এবারের বিশ্বকাপের টিকিট থেকে শুরু করে অন্যান্য সব জিনিসের চড়া দামের মতোই, জার্সির এই দাম নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। আর ফুটবল–ভক্তদের এই ক্ষোভ ও প্রতিবাদের পেছনে যথেষ্ট যৌক্তিক কারণও আছে। হোস্ট সিটি জার্সি কী ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন দেশে একসঙ্গে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৪৮ দলের এই বিশাল আয়তনের বিশ্বকাপে খেলা হবে মোট ১৬টি ভেন্যুতে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার এই ভেন্যুগুলোয় মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব জার্সি সংগ্রহে রাখার জন্যই বানানো, অর্থাৎ লিমিটেড এডিশন আর এই বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখতে আয়োজক শহরগুলোর জন্য ফিফা এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। তারা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বিশেষ ডিজাইনের লিমিটেড এডিশন জার্সি বাজারে ছেড়েছে, যা হোস্ট সিটি জার্সি নামে পরিচিত। মূলত ১৬টি আয়োজক শহরের প্রতিটির নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ফুটবল উন্মাদনাকে সম্মান জানাতে আলাদা ডিজাইনের এই জার্সিগুলো তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বকাপে মেসির হ্যাটট্রিক, যেভাবে ইতিহাসের সাক্ষী হলাম আমরা ৬ বন্ধু কেন এই জার্সি আলাদা প্রতিটি শহরের জন্য মাত্র ৯৯৯টি করে জার্সি তৈরি করা হয়েছে এসব মোটেও সাধারণ কোনো জার্সি নয়। প্রতিটি শহরের জন্য মাত্র ৯৯৯টি করে জার্সি তৈরি করা হয়েছে। এসব খেলার মাঠে পরে যাওয়ার জন্য নয়। বরং ফুটবলপ্রেমীদের সংগ্রহে রাখার জন্য। বিশ্বকাপের ১৬টি আয়োজক শহরের প্রতিটির জন্য এই কালেকশনে একটি করে জার্সি থাকছে। ফিফা যদি তাদের তৈরি করা মোট ১৫ হাজার ৯৮৪টি জার্সির সব কটিই বিক্রি করতে পারে, তবে শুধু এই একটি কালেকশন থেকেই তাদের আয় হবে প্রায় ৬০ লাখ ডলার বা ৭০ কোটি টাকার বেশি। জার্সির ডিজাইন ও আধুনিক প্রযুক্তি এসব জার্সির নকল ঠেকাতে আছে আধুনিক এনএফসি প্রযুক্তি এই জার্সিগুলোর ডিজাইন মূলত প্রতিটি আয়োজক শহরের অফিশিয়াল বিশ্বকাপ পোস্টার থেকে নেওয়া হয়েছে। জার্সির বুকের ওপর লেখা আছে ‘ফুটবল বিশ্বকে একত্র করে’ স্লোগানের একটি ব্যাজ। বাঁ হাতায় আছে প্রতিটি শহরের নিজস্ব বিশেষ স্লোগান। আর পেছনের অংশে আছে শহরের নামসহ বিশ্বকাপের বড় একটি লোগো। ফিফার অফিশিয়াল স্টোরের তথ্য অনুযায়ী, এই জার্সিগুলোয় ফুটবলারদের খেলার উপযোগী উন্নত মানের কাপড় ও ঘাম শুষে নেওয়ার বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এতে একটি আধুনিক এনএফসি প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে জার্সির আসল মালিকানা কার, তা দেখা যাবে। পরার জন্য নয় এই জার্সি বর্তমানে ফিফার ওয়েবসাইটে ১০টি শহরের জার্সির ছবি আপলোড করা আছে ফিফার স্টোরে জার্সির বর্ণনায় পরিষ্কার লেখা আছে, ‘সব জার্সি গায়ে দেওয়ার জন্য তৈরি হয় না। কিছু জার্সি তৈরিই করা হয় কোনো বিশেষ মুহূর্তকে আজীবন স্মরণীয় করে রাখার জন্য।’ বর্তমানে ওয়েবসাইটে ১০টি শহরের জার্সির ছবি আপলোড করা আছে। এসবের প্রায় সব সাইজই এখনো স্টকে আছে। তবে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের কারণে অনেক সাইজই শেষের দিকে চলে এসেছে। সরাসরি মেসির খেলা দেখে কেমন অনুভূতি, জানালেন অভিনয়শিল্পী নাঈম–নাদিয়া, দেখুন ৯টি ছবিতে জার্সির প্রিমিয়াম বক্স সেটে কী থাকছে প্রিমিয়াম বক্সের ভেতরে জার্সি তো আছেই, সঙ্গে আছে একটি সার্টিফিকেটও। আরও আছে একটি বিশেষ হ্যাঙ্গার, সংগ্রাহকদের জন্য তৈরি একটি বই। ফিফা মূলত একটি হ্যাঙ্গার, একটি সার্টিফিকেট আর সুন্দর বাক্সটি দিয়েই এ জার্সির বাড়তি দাম ‘হালাল’ করতে চাইছে। জার্সি নিয়ে সমালোচনা ও ভক্তদের প্রতিক্রিয়া জার্সিগুলো বাজারে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবল–ভক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকে লিখেছেন, তাঁদের কাছে এসব মোটেও আকর্ষণীয় লাগেনি। এর পেছনের মূল কারণ হলো ডিজাইন। আয়োজক শহরগুলোর অফিশিয়াল পোস্টার কাগজে দেখতে দারুণ লেগেছিল; কিন্তু জার্সির কাপড়ে সেই ডিজাইন ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়নি। কাপড়ের মান ও প্রিন্ট ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করতে পারেনি। অনেকে লিখেছেন, ফিফা যদি বাজারে সত্যিই বড় সাড়া ফেলতে চাইত, তবে জার্সির সংখ্যা আরও কমাতে হতো এ ছাড়া ফিফা একে লিমিটেড এডিশন বললেও এর উৎপাদনসংখ্যা অনেক বেশি। প্রতিটি শহরের জন্য ৯৯৯টি করে জার্সি তৈরি করেছে। সব শহর মিলিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১৬ হাজার। এত বেশি জার্সি তৈরি করায় এর ‘এক্সক্লুসিভিটি’ অনেকটাই কমে গেছে। অনেকে লিখেছেন, ফিফা যদি বাজারে সত্যিই বড় সাড়া ফেলতে চাইত, তবে জার্সির সংখ্যা আরও কমাতে হতো। ৯৯৯টির বদলে প্রতিটি শহরের জন্য মাত্র ৫০টি বা ১০টি জার্সি তৈরি করলে ভালো হতো। তাহলে সংগ্রাহকদের কাছে এই জার্সির কদর ও গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বেড়ে যেত। সূত্র: ফিফা স্টোর, ফিফা, নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য অ্যাথলেটিক কালো ফেস মাস্ক পরে কেন খেলছেন জিদানের ছেলে লুকা
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →