শিশুকে অপহরণের পর চিরকুট দিয়ে মুক্তিপণ চান প্রতিবেশী, এক দিন পর মিলল বস্তাবন্দী লাশ
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল পূর্ব পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম মো. জায়হান (৫)। সে ওই এলাকার মোহাম্মদ শাহজাহানের ছেলে। এক ভাই ও এক বোনের বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট। এর আগে গত মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শিশুটিকে অপহরণ করা হয়। এরপর চিরকুট দিয়ে এক প্রতিবেশী তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চান বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত জায়হানের চাচা রায়হান উদ্দিন প্রথ
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল পূর্ব পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম মো. জায়হান (৫)। সে ওই এলাকার মোহাম্মদ শাহজাহানের ছেলে। এক ভাই ও এক বোনের বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট। এর আগে গত মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শিশুটিকে অপহরণ করা হয়। এরপর চিরকুট দিয়ে এক প্রতিবেশী তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চান বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত জায়হানের চাচা রায়হান উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির সামনে খেলতে বের হয়ে জায়হান নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাননি। এরপর বেলা তিনটার দিকে ঘরের জানালার পাশে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। রায়হান উদ্দিন বলেন, চিরকুটে জায়হানের বাবা শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পাশাপাশি একটি মুঠোফোন পাশের পরিত্যক্ত দোকানে রেখে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। টাকা পাওয়ার পর ভিডিও কলে শিশুটিকে দেখানো হবে বলে এ চিরকুটে দাবি করা হয়। এ ঘটনার পরপরই জায়হানের বাবা শাহজাহান পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে গতকাল দুপুরে সন্দেহভাজন প্রতিবেশী সাইফুল ও তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকে আটক করা হয়। এরপর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করার এক পর্যায়ে গতকাল দিবাগত রাতে শাহজাহানের বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত বর্জ্যের স্তূপ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় জায়হানের লাশ উদ্ধার করা হয়। জানতে চাইলে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এক কিশোরীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →