ছোট্ট হুজাইফা সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে চলে যায় রেললাইনে, ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু
বাবা-মায়ের সঙ্গে শিশু হুজাইফা (৭) ফেনীর শর্শদি এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। বাড়ির পাশেই রেললাইন। সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে খেলতে খেলতে হুজাইফা একসময় চলে যায় রেললাইনে। ঠিক তখনই ওই পথ দিয়ে যাওয়া একটি ট্রেনে কাটা পড়ে সে। প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের চিৎকার শুনে স্বজনেরা হুজাইফাকে উদ্ধার করে ফেনীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের শর্শদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হুজাইফা ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়ন
বাবা-মায়ের সঙ্গে শিশু হুজাইফা (৭) ফেনীর শর্শদি এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। বাড়ির পাশেই রেললাইন। সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে খেলতে খেলতে হুজাইফা একসময় চলে যায় রেললাইনে। ঠিক তখনই ওই পথ দিয়ে যাওয়া একটি ট্রেনে কাটা পড়ে সে। প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের চিৎকার শুনে স্বজনেরা হুজাইফাকে উদ্ধার করে ফেনীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের শর্শদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হুজাইফা ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের বালিগাঁও গ্রামের ইকবাল হোসেনের মেয়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তির বরাতে রেলওয়ে পুলিশ জানায়, শিশু হুজাইফা চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ও জেনারেল হাসপাতালে যায় ফেনী রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) সদস্যরা। ফেনী রেলস্টেশন জিআরপির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে অসাবধানতাবশত ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় লাকসাম জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →