মেঘনাপাড়ের আশরাফুল হতে চায় পেশাদার ফুটবলার
নদীর ঢেউ আর চরম দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বড় হওয়া এক অদম্য কিশোর মো. আশরাফুল ইসলাম। লক্ষ্য তার একটাই— বড় হয়ে পেশাদার ফুটবলার হওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকাকে তুলে ধরা। লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী হাট এলাকার মেঘনা নদীর কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা 'মেঘনাপাড় ধীবর আলোর পাঠশালা' থেকে ২০২৫ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে আশরাফুল। বর্তমানে সে 'ডা. আব্দুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়'-এ ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। 'মেঘনাপাড় ধীবর আলোর পাঠশালা' থেকে ২০২৫ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে মো. আশরাফুল ইসলাম। আশরাফুলের বাবা ম
নদীর ঢেউ আর চরম দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বড় হওয়া এক অদম্য কিশোর মো. আশরাফুল ইসলাম। লক্ষ্য তার একটাই— বড় হয়ে পেশাদার ফুটবলার হওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকাকে তুলে ধরা। লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী হাট এলাকার মেঘনা নদীর কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা 'মেঘনাপাড় ধীবর আলোর পাঠশালা' থেকে ২০২৫ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে আশরাফুল। বর্তমানে সে 'ডা. আব্দুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়'-এ ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। 'মেঘনাপাড় ধীবর আলোর পাঠশালা' থেকে ২০২৫ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে মো. আশরাফুল ইসলাম। আশরাফুলের বাবা মহিজউদ্দিন পেশায় জেলে এবং মা বিলকিস বেগম গৃহিণী। 'নুন আনতে পান্তা ফুরানো'র সংসারে যেখানে টিকে থাকাই সংগ্রাম, সেখানে ছেলের এমন স্বপ্ন অনেকের কাছে বিলাসিতা মনে হলেও পাশে দাঁড়িয়েছেন তার বাবা-মা। বাবা মহিজউদ্দিন বলেন, ‘আমি নিজে নদীতে কষ্ট করেছি, কিন্তু চাই ছেলে পড়ালেখা করে মানুষের মতো মানুষ হোক এবং দেশের নাম উজ্জ্বল করুক।’ আলোর পাঠশালার শিক্ষকরা জানান, আশরাফুল পড়াশোনা ও খেলাধুলা— উভয় ক্ষেত্রেই সবসময় সেরা। স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও সুযোগ পেলে প্রান্তিক অঞ্চলের এই ফুটবলপ্রেমী কিশোরই একদিন দেশের ফুটবলকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →