শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি: লটারি বনাম পরীক্ষার বিকল্প ভাবনা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন সৌমিত জয়দ্বীপ। আজ প্রকাশিত হলো প্রথম পর্ব সৌমিত জয়দ্বীপ যাঁরা বলেছিলেন, লটারি একটি ভালো সমাধান, তাঁদের কথা অর্ধসত্য। যাঁরা বলছেন, ভর্তি পরীক্ষা লটারির চেয়ে উত্তম, তাঁদের কথাও অর্ধসত্য। আমাদের এই বাইনারির বাইরে চিন্তা করতে পারতে হবে। বিশেষত, প্রাথমিক শিক্ষায়। সম্প্রতি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২৭ সালে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা চালু করবে। মানে, মেধার লিখিত প্রমাণ ছাড়া ভর্তির সুযোগ নেই! মনে রাখা জরুরি, প্রতিযোগি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিয়ে লটারি এবং ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে কোনটি ভালো, এই বিতর্কটি একটি অর্ধসত্য। প্রাথমিক শিক্ষায় ২০২৭ সাল থেকে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা চালু করার সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, যেকোনো প্রবেশিকা পদ্ধতির মূল লক্ষ্য বর্জনমূলক, গ্রহণমূলক নয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে কেউ মেধাবী, নইলে অমেধাবী—এই ধারণাটি প্রচলিত সমাজকাঠামোকে টিকিয়ে রাখার একটি প্রয়াস। শিক্ষাকে অধিকারের পরিবর্তে সুযোগ দ্বারা নিরূপণ করা হয়েছে, যা একটি বর্জনমূলক ব্যবস্থাই তৈরি করেছে।
এই লেখাটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়ার বিদ্যমান সমস্যাগুলো তুলে ধরে এবং একটি ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →