হজের শিক্ষা ও হজ-পরবর্তী জীবনে তা ধারণের গুরুত্ব
হজের সৌভাগ্য সবার হয় না। যাঁরা হজ করেন, তাঁরাও সবাই তা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারেন না। হজ করলেও অনেকে হজের শিক্ষা দেশে নিয়ে আসতে পারেন না। আবার হজ করে আসার পরও অনেকে সারা জীবনে হজের শিক্ষা ধারণ, লালন ও পালন করতে পারেন না। হজ মূলত মানবতার প্রশিক্ষণ। পৃথিবীর সব মানুষ একই পিতা–মাতার সন্তান। মানুষে মানুষে কোনো ধরনের ভেদাভেদ নেই; সাদা-কালোয় কোনো প্রভেদ নেই। বর্ণবৈষম্য ও বংশকৌলীন্য মানুষেরই কৃত্রিম সৃষ্টি। পদ-পদবি ও অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে মানুষের মধ্যে যে অদৃশ্য দেয়াল তৈরি হয়,
হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত যা মানবতার প্রশিক্ষণ দেয় এবং সকল ভেদাভেদ দূর করে ঐক্যের বার্তা দেয়। আরাফাতের ময়দানে হাজিদের সমাবেশ ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, যেখানে সকলে একই ইহরামের কাপড় পরে আল্লাহর ওপর ভরসা করে। যারা হজের শিক্ষা জীবনে ধারণ করে, তারাই প্রকৃত হাজী। এই শিক্ষা ধারণ করতে না পারলে তা অর্থের অপচয় হিসেবে গণ্য হবে। হজ কোনো পদবি বা উপাধি নয়, বরং শারীরিক, আর্থিক ও আধ্যাত্মিক সমন্বয়ে গঠিত একটি ফরজ ইবাদত। শয়তানের প্ররোচনা থেকে নিজেকে রক্ষা করে আল্লাহর আনুগত্য করাই হজের মূল শিক্ষা।
এই লেখাটি হজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরে এবং হজ পালনকারীদের জীবনে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →