আওয়ামী লীগ প্রশ্নে মন্ত্রী শেখ রবিউল বললেন, ‘নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধ’

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
আওয়ামী লীগ প্রশ্নে মন্ত্রী শেখ রবিউল বললেন, ‘নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধ’

আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধকরণ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘একসময় একটি রাজনৈতিক দল ছিল। জন–আকাঙ্ক্ষা ও জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে আজ জনগণ কর্তৃক বর্জিত, সর্বশেষ নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধ।’ আজ মঙ্গলবার সকালে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বাংলাদেশ রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্

আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধকরণ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘একসময় একটি রাজনৈতিক দল ছিল। জন–আকাঙ্ক্ষা ও জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে আজ জনগণ কর্তৃক বর্জিত, সর্বশেষ নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধ।’ আজ মঙ্গলবার সকালে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বাংলাদেশ রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ এ দেশে রাজনৈতিক দলের বৈধতা দেয়। আইন ও জনগণ একত্র হয়ে সমন্বিতভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে। এখন বলবেন একটি রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ—এটা জাতি কীভাবে দেখে? জাতি নিষিদ্ধ চেয়েছে বলেই দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য জাতি গণ-অভ্যুত্থান করেছে, দেশ থেকে তাদের ভেগে যেতে বাধ্য করেছে। কে করেছে? নিশ্চয়ই এ দেশের জনগণ করেছে।’ সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘একটি নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়বে, এটা কাম্য নয়। নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা যদি চোখে পড়ে, এটা জাতির ব্যর্থতা। এখন নিষিদ্ধ কোনো দল নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’ সারা দেশে সরকারি জায়গা উদ্ধার ও সেগুলোর ব্যবহার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকারের যত জায়গা আছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন, সেসব জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু জায়গা এক একরের বেশি, সেগুলো একভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এক একরের নিচের জায়গাগুলো অন্যভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিন একরের বেশি যেগুলো আছে, সেগুলো আবার আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, সাড়ে তিন একরের বেশি জায়গা থাকলে সেখানে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। তিন একরের অধিক জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে সোলার স্থাপন করা হবে। স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং জাতীয় গ্রিডেও বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। অর্থাৎ সোলার প্যানেল স্থাপন করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে। যেখানে অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ রয়েছে, সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। তিন একরের নিচে যেসব জায়গা আছে, সেগুলো স্থানীয় জনকল্যাণে ব্যবহার করা যায় কি না, সেটি দেখা হবে। জায়গা ছোট হোক, বড় হোক বা মাঝারি—সব জায়গার সর্বোত্তম ব্যবহার করা হবে। জাতির কল্যাণে জায়গার ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে মন্ত্রী পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার যেখানে-সেখানে বনায়ন করছে না, গাছও লাগাচ্ছে না। কোন এলাকায় কী ধরনের গাছ লাগানো যায়, সেগুলো আগে দেখা হচ্ছে। আগের মতো কোনো বিচ্ছিন্ন কাজ হচ্ছে না, সমন্বিতভাবে কাজ হচ্ছে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ, মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম প্রমুখ।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön