চীনের সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে বড় চুক্তি সই হতে যাচ্ছে: চিফ হুইপ

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
চীনের সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে বড় চুক্তি সই হতে যাচ্ছে: চিফ হুইপ

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরে সোলার (সৌরবিদ্যুৎ) খাতের উন্নয়নে চীনের সঙ্গে একটি বড় ধরনের চুক্তি সই হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে চায়না আছেন, এখনো ডিসিশন হয়নি, আপনারা দেখবেন বড় চুক্তি হবে আমাদের সোলার ব্যাপারটা নিয়ে।’ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন চিফ হুইপ। ‘পাকিস্তানে সৌ

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরে সোলার (সৌরবিদ্যুৎ) খাতের উন্নয়নে চীনের সঙ্গে একটি বড় ধরনের চুক্তি সই হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে চায়না আছেন, এখনো ডিসিশন হয়নি, আপনারা দেখবেন বড় চুক্তি হবে আমাদের সোলার ব্যাপারটা নিয়ে।’ আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন চিফ হুইপ। ‘পাকিস্তানে সৌর বিপ্লব: জাতীয় বাজেটের দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয়’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে এগিয়ে নিতে বিএনপি সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করতে চায় বলেও উল্লেখ করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কোনো সংসদ সদস্য যদি এ প্রসঙ্গে কথা বলতে চান, চিফ হুইপের জায়গা থেকে তিনি সহযোগিতা করবেন। নুরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশে টেকসই ও সাশ্রয়ী বিদ্যুতের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি (রিনিউয়েবল এনার্জি) খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। তিনি জানান, দেশের সামগ্রিক কল্যাণে এবং একটি ‘ওয়েলফেয়ার স্টেট’ বা কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি তৈরিতে এই খাতকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। সরকার ইতিমধ্যেই সব সরকারি ভবনের ছাদ (রুফটপ) ও শিল্পকারখানাগুলোকে সোলার সিস্টেমের আওতায় আনার টার্গেট নিয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, এসবের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার সাধারণ মানুষের উপকারে এবং সেচ প্রজেক্টের খরচ কমাতে সব ধরনের পাওয়ার পাম্প ও টিউবওয়েলকে সোলার সিস্টেমে রূপান্তরের উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। অনুষ্ঠানে ‘পাকিস্তানে সৌরবিদ্যুতের গণজোয়ার: এর পরে কী এবং কারা অনুসরণ করছে?’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা করেন পাকিস্তানের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সংস্থা ‘রিনিউয়েবলস ফার্স্ট’-এর প্রধান কর্মসূচি ও উদ্যোগ বিশেষজ্ঞ ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ বাসিত গৌরী। তিনি বলেন, পাকিস্তানের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। এই রূপান্তর মূলত জাতীয় গ্রিডের বাইরে নিজস্ব উদ্যোগে হয়েছে। এই পরিবর্তন কোনো নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ ছিল না উল্লেখ করে বাসিত গৌরী বলেন, শহর ও গ্রামে—বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় আবাসিক, শিল্প ও কৃষি খাতে এই পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান। বাসিত গৌরী জানান, দেশটির এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করেছে দেশটিতে অতিরিক্ত বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে শুল্কমুক্ত সুবিধা ও সরকারি সহযোগিতা। পাকিস্তানে এই খাতে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে উল্লেখ করে বাসিত গৌরী বলেন, যা আইএমএফের ঋণের প্রায় দ্বিগুণ। বাংলাদেশের সঙ্গে বড় পার্থক্য হলো এই টাকার বেশির ভাগই ব্যাংক থেকে আসেনি, পাকিস্তানের মধ্যবিত্ত ও গ্রামীণ মানুষ সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে (সেলফ ফিন্যান্স) এই বিনিয়োগ করেছেন। এর ফলে সেখানে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের পরিবর্তন: জাতীয় গ্রিডের বাইরে থেকে গ্রিডের ভেতরে, পারিবারিক সোলার থেকে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ’ শীর্ষক আরেকটি উপস্থাপনা করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা সহযোগী আতিকুজ্জামান সাজিদ। তিনি বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে আমরা সচরাচর ৪ থেকে ৫ শতাংশ তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও গত ১ থেকে ২ বছরে দেশে “নেট মিটারিং” ব্যবস্থায় ৩০০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে ছোট হলেও অত্যন্ত নীরবে এটি শিল্পকারখানা ও আবাসিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ছে। ভবিষ্যতে পরিবহন খাতেও এটি আসবে এবং জাতীয় তথ্যে এর প্রতিফলন ঘটবে।’ আতিকুজ্জামান বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের বড় পার্থক্য হলো অর্থায়নের মানসিকতায়। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে সোলার করার আগ্রহ কম। আমরা সব সময় ব্যাংক নির্ভর, কিন্তু পাকিস্তানে এটি মূলত নিজস্ব অর্থায়নে হয়েছে, যা থেকে আমাদের শেখার আছে।’ পাকিস্তান থেকে শেখার আছে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘পরিবেশবান্ধব জ্বালানির পথে বাংলাদেশকে আরও অনেক দূর যেতে হবে। এই বিষয়ে পাকিস্তান কীভাবে সংকট কাটিয়ে সফল হলো, তা থেকে আমাদের শেখার আছে।’ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাতিল হওয়া ৩১টি সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরায় বিবেচনা করছে বর্তমান সরকার। এই উদ্যোগকে ইতিবাচক উল্লেখ করে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এই প্রকল্পগুলো চালু হলে দেশ অনেক সৌরবিদ্যুৎ পাবে। খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, পাকিস্তানে সরকারি ব্যবস্থার বাইরে গ্রামাঞ্চলে ঘরে ঘরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের একটি বড় বিপ্লব ঘটেছে। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় পাকিস্তানের সফল সোলার মডেলের উদাহরণের কথা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে বলে জানান রিনিউয়েবল এনার্জি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ শাহরিয়ার। বাস্তবমুখী পলিসি দরকার ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম কম। তাই গ্রাহক সস্তায় বিদ্যুৎ পাওয়ায় সোলার পদ্ধতিতে আগ্রহী হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপ্পা) সভাপতি ডেভিড হাসনাত। পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশে সূর্যের আলো প্রায় ৫০ শতাংশ কম থাকায় এখানে সোলার উৎপাদন খরচ বেশি হবে বলেও উল্লেখ করেন ডেভিড হাসনাত। বর্তমানে বিপিডিবি বিপুল ঋণের মুখে রয়েছে উল্লেখ করে ডেভিড হাসনাত বলেন, শুধু অন্যের সাফল্য দেখে ঝাঁপ না দিয়ে বাস্তবমুখী পলিসি ও বিদ্যুতের দামের যৌক্তিকীকরণ প্রয়োজন। দেশে জ্বালানি আমদানিতে প্রতিবছর প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের মূল কারণ বলে মত দেন বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön