কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা

উজানের ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বাড়া অব্যাহত আছে। জেলার সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও তিস্তা–তীরবর্তী চরাঞ্চলে বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙনও দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আছে। কুড়িগ্রাম পাউবোর তথ্যমতে, আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বেড়

উজানের ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বাড়া অব্যাহত আছে। জেলার সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও তিস্তা–তীরবর্তী চরাঞ্চলে বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙনও দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আছে। কুড়িগ্রাম পাউবোর তথ্যমতে, আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে ধরলা নদীর পানি তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৯৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং ব্রহ্মপুত্র নদ নুনখাওয়া পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৬ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। পানি বাড়তে শুরু করায় তিস্তা–তীরবর্তী চরাঞ্চলের নিচু জমিগুলো তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে ফসলহানির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের চর জুয়ান সতরা এলাকার কৃষক আবদুস ছালাম বলেন, পানি বাড়ার কারণে চরাঞ্চলের নিচু জমিগুলো তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। এতে মরিচ ও পটোলখেত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চর গতিয়াশাম এলাকার কৃষক ছাবেদ আলী বলেন, বাদামখেত তলিয়ে যাওয়ায় তড়িঘড়ি করে বাদাম তুলে নিয়েছেন। তবে পাটখেতসহ অন্যান্য সবজিখেতে ইতিমধ্যে পানি ঢুকে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় চরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি স্থানে নদীভাঙন শুরু হওয়ায় ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় আছেন মানুষ। কুড়িগ্রাম পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, নদ-নদীর পানি বাড়া অব্যাহত থাকলেও সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে আছে। তবে চরাঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। তিস্তার পানি আরও বেড়ে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এতে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আছে।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön