কলেজের পুকুর ইজারা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
কলেজের পুকুর ইজারা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর মহিলা কলেজের দুটি পুকুর ইজারা দেওয়া নিয়ে শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তাঁর কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আক্কেলপুর মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের সামনের দুটি পুকুর ইজারা দেওয়ার জন্য আগে কয়েক

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর মহিলা কলেজের দুটি পুকুর ইজারা দেওয়া নিয়ে শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তাঁর কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আক্কেলপুর মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের সামনের দুটি পুকুর ইজারা দেওয়ার জন্য আগে কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সম্প্রতি ইজারাদার পক্ষ পুকুরে মাছ চাষের প্রস্তুতি নিতে গেলে কয়েকজন শিক্ষক জানতে পারেন, পুকুর দুটি ইতিমধ্যে ইজারা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এ অবস্থায় আজ দুপুরে কলেজের সহকারী গ্রন্থাগারিক ফারুক আলম চৌধুরীসহ কয়েকজন শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবিদা সুলতানার কক্ষে গিয়ে পুকুর ইজারার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। একপর্যায়ে অফিস সহকারী চিত্তরঞ্জন প্রমাণিককে কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে ভেতরে রেখে দরজায় তালা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বিষয়টি আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক-উর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানান। খবর পেয়ে বেলা দেড়টার দিকে ইউএনও ও পুলিশ কলেজে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে। পরে অধ্যক্ষের কক্ষের তালা খুলে দেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কলেজের শিক্ষক হারুনুর রশিদ বলেন, কলেজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য শিক্ষকদের সমন্বয়ে কমিটি রয়েছে। পুকুর ইজারার বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু পরে গোপনে ইজারা দেওয়া হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পারেন। প্রকাশ্যে ইজারা দিলে বেশি দর পাওয়া যেত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অশোভন আচরণ করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে গোপনে পুকুর ইজারা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবিদা সুলতানা। তিনি বলেন, কলেজের মামলা পরিচালনায় অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে। পুকুর ইজারার অর্থও বিভিন্ন খাতে প্রয়োজন ছিল। কয়েকজন শিক্ষক বিষয়টি জানতেন। আজ কয়েকজন শিক্ষক তাঁর কক্ষে এসে পুকুর ইজারা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে অফিস সহকারীকে বের করে দিয়ে কক্ষের বাইরে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে সহকারী গ্রন্থাগারিক ফারুক আলম চৌধুরী উৎপল বলেন, পুকুর ইজারার বিষয়ে কোনো শিক্ষককে জানানো হয়নি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোপনে পুকুর ইজারা দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাঁর কাছে গিয়েছিলেন তাঁরা। তবে তাঁরা কেউ অশালীন আচরণ করেননি এবং কক্ষেও তালা দেননি বলে দাবি করেন তিনি। ইউএনও বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে তিনি কলেজে গিয়েছিলেন। তবে সেখানে গিয়ে তেমন কোনো পরিস্থিতি দেখতে পাননি। তাঁর ভাষ্য, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের মধ্যে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব ছিল, পুকুর ইজারার বিষয়টি সেই বিরোধকে আরও উসকে দিয়েছে।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön