ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের কারাদণ্ড
ফরিদপুর শহরের মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে পরিচালককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রির পর আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ড পাওয়া ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত ছিলেন
ফরিদপুর শহরের মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে পরিচালককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রির পর আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ড পাওয়া ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তির নাম আশরাফ আলী (৪৬)। তিনি ফরিদপুর শহরের একটি মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক। মাদ্রাসার একটি কক্ষে স্ত্রী–সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। মামলার এজাহার ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী এবং হেফজখানার শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে হেফজখানার শ্রেণিকক্ষ থেকে তাকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন আশরাফ আলী। সেদিন তাঁর স্ত্রী–সন্তান বাসায় ছিলেন না। ফাঁকা বাসার সুযোগ নিয়ে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্রী দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি মা–বাবাকে জানায় ওই কিশোরী। পরিবারটি প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। এরপর একই বছরের ৯ মে তারা থানায় মামলা করে। মামলার পর পুলিশ আশরাফ আলীকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। মামলাটি তদন্ত করে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন আশরাফ আলীকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। রায়ে সন্তুষ্ট জানিয়ে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, আদালত জরিমানার ৭০ হাজার টাকা দণ্ড পাওয়া আসামির সম্পত্তি বিক্রির পর আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →