‘চোখের সামনে দোকানডা পুড়ল, এহন সংসার চলব ক্যামনে’

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
‘চোখের সামনে দোকানডা পুড়ল, এহন সংসার চলব ক্যামনে’

‘ধারকর্জ কইরা ১৭ বছর আগে এই দোকানডা দিছিলাম। পেট্রল, ডিজেল, অকটেনসহ বিভিন্ন আইটেমের মালামাল রাখছিলাম। এই দোকানের আয়েই সংসার চলত, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচও হইত। গত রাইতে চোখের সামনে দোকানডা পুড়ল। এহন সংসার চলব ক্যামনে, ছেলেমেয়েদের পড়ালেখাইবা ক্যামনে করামু! দোকানের লগে লগে আমার কপালডাও পুড়ছে।’ গতকাল রোববার সকালে কান্নাভেজা কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম পাটোয়ারী (৪০)। গত শনিবার রাত দুইটার দিকে বাড়ির পাশে একটি মার্কেটে থাক

‘ধারকর্জ কইরা ১৭ বছর আগে এই দোকানডা দিছিলাম। পেট্রল, ডিজেল, অকটেনসহ বিভিন্ন আইটেমের মালামাল রাখছিলাম। এই দোকানের আয়েই সংসার চলত, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচও হইত। গত রাইতে চোখের সামনে দোকানডা পুড়ল। এহন সংসার চলব ক্যামনে, ছেলেমেয়েদের পড়ালেখাইবা ক্যামনে করামু! দোকানের লগে লগে আমার কপালডাও পুড়ছে।’ গতকাল রোববার সকালে কান্নাভেজা কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম পাটোয়ারী (৪০)। গত শনিবার রাত দুইটার দিকে বাড়ির পাশে একটি মার্কেটে থাকা তাঁর জহির টেলিকম নামের দোকানটি মালামালসহ আগুনে পুড়ে যায়। জহিরুল ইসলাম বলেন, ১৭ বছর আগে ব্যাংকঋণ ও ধারদেনা করে তিনি দোকানটি প্রতিষ্ঠা করেন। দোকানে পেট্রল, ডিজেল, অকটেন, চাল-ডাল, চাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রি হতো। দোকানের আয় দিয়েই সংসার পরিচালনার পাশাপাশি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতেন। তাঁর এক ছেলে স্থানীয় মাদ্রাসায় এবং একমাত্র মেয়ে স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। তাদের লেখাপড়ার খরচও এই দোকানের আয় থেকেই চলত। গত শনিবার রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান জহিরুল ইসলাম। রাত দুইটার দিকে খবর পান, তাঁর দোকানে আগুন লেগেছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, দোকানটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। জহিরুল ইসলামের দাবি, আগুনে তাঁর প্রায় ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে শত্রুতাবশত কেউ আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে বলেও তাঁর সন্দেহ। আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘চোখের সামনে দোকানডা পুড়ল। এহন সামনে শুধু অন্ধকারই দেখতাছি।’ জহিরুল ইসলামের ভাতিজা পারভেজ পাটোয়ারী বলেন, অনেক কষ্ট করে তাঁর চাচা দোকানটি গড়ে তুলেছিলেন। দোকানটির ব্যবসাও ভালো চলছিল। আগুনে সব পুড়ে যাওয়ায় তিনি এখন প্রায় সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম (মনি) বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিকে সহায়তা দিতে এবং তাঁর পাশে দাঁড়াতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবে।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön