মুন্নীকে খাইয়ে দিয়েছিলেন সালমান, ভাইরাল দৃশ্যের শুটিংয়ের আড়ালের ঘটনা জানালেন অভিনেতা
২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া কবির খানের ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সিনেমায় সালমান খান ও হারশালি মালহোত্রার অভিনয় মুগ্ধ করেছিল দর্শকদের। ‘মুন্নী’ চরিত্রে সেই হারশালির অভিনয় নিয়ে এখনো কথা হয়। সিনেমাটির অভিনেতা মনোজ বক্সী সম্প্রতি সিনেমাটির শুটিংয়ের এমন একটি ঘটনার কথা বলেছেন, যা শুনে অনেকেই অবাক হয়েছেন। তাঁর দাবি, ছবির একটি দৃশ্য ধারণের সময় শিশু অভিনেত্রী হারশালিকে বারবার চিকেন খেতে হচ্ছিল। প্রতিবার বড় টুকরা মুখে চলে যাওয়ায় হাসিমুখে সংলাপ বলা কঠিন হয়ে পড়ছিল। তখন মুখের খাবার বারবার ফেলে
২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া কবির খানের ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সিনেমায় সালমান খান ও হারশালি মালহোত্রার অভিনয় মুগ্ধ করেছিল দর্শকদের। ‘মুন্নী’ চরিত্রে সেই হারশালির অভিনয় নিয়ে এখনো কথা হয়। সিনেমাটির অভিনেতা মনোজ বক্সী সম্প্রতি সিনেমাটির শুটিংয়ের এমন একটি ঘটনার কথা বলেছেন, যা শুনে অনেকেই অবাক হয়েছেন। তাঁর দাবি, ছবির একটি দৃশ্য ধারণের সময় শিশু অভিনেত্রী হারশালিকে বারবার চিকেন খেতে হচ্ছিল। প্রতিবার বড় টুকরা মুখে চলে যাওয়ায় হাসিমুখে সংলাপ বলা কঠিন হয়ে পড়ছিল। তখন মুখের খাবার বারবার ফেলে দিতে হচ্ছিল। আর সেই খাবার নিজের হাতেই নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সালমান খান। সম্প্রতি রিলসে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে দৃশ্যটি। মনোজ বক্সীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচালক চেয়েছিলেন, ছোট্ট হারশালি যেন আনন্দের সঙ্গে চিকেন খেতে খেতে হাসে। কিন্তু বাস্তবে তা সহজ ছিল না। বড় টুকরা মুখে গেলে তাকে থুতুর সঙ্গে চিকেনের অংশ বের করে দিতে হচ্ছিল। সেই সময় নোংরা হবে ভেবে কেউ এগিয়ে না এলেও সালমান খান নিজের হাত বাড়িয়ে দেন। মনোজের দাবি, অন্তত ২০ বার হারশালি তাঁর হাতেই খাবারের টুকরা ফেলেছিল। অভিনেতার ভাষায়, ‘ও তো তাঁর নিজের সন্তানও নয়। তারপরও একবারও বিরক্ত হননি। একজন সুপারস্টার হয়েও তিনি যা করেছেন, সেটা সবাই পারে না।’ এই একটি ঘটনা থেকেই তিনি সালমানের মানবিক দিকটি নতুন করে উপলব্ধি করেছিলেন বলে জানান। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সিনেমার পোস্টার থেকে। আইএমডিবি বড় পর্দায় সালমান খানের পরিচয় মূলত অ্যাকশন হিরো হিসেবে। কিন্তু সহকর্মীদের অনেকেই বলেন, শুটিং সেটে তিনি একেবারেই আলাদা মানুষ। নতুন শিল্পীদের স্বাচ্ছন্দ্য দেওয়া, শিশুশিল্পীদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা ইউনিটের সদস্যদের খোঁজ নেওয়ার মতো কাজ তিনি নিয়মিতই করেন। মনোজ বক্সীর মতে, বড় তারকা হওয়ার পরও সালমান কখনো এমন আচরণ করেন না, যাতে অন্যরা অস্বস্তিতে পড়েন; বরং তিনি চেষ্টা করেন পুরো ইউনিটকে পরিবারের মতো পরিবেশ দিতে। সাক্ষাৎকারে আরেকটি ঘটনার কথাও বলেন মনোজ। তাঁর দাবি, ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ মুক্তির আগে সালমান খান শুধু তারকাদের জন্য নয়, ছবির কলাকুশলী, টেকনিশিয়ান ও ইউনিটের সদস্যদের জন্যও বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছিলেন। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর মুন্নি আজ ১৮, এখন দেখতে কেমন সাধারণত বড় ছবির ক্ষেত্রে এমন আয়োজন খুব একটা দেখা যায় না। মনোজের মতে, এতে বোঝা যায়, সালমান শুধু ক্যামেরার সামনে থাকা শিল্পীদের নয়, পর্দার আড়ালে কাজ করা মানুষদের অবদানও সমানভাবে মূল্য দেন। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ শুধু বক্স অফিসেই নয়, দর্শকের মনেও স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিল। ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে এক বোবা শিশুকে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মানবিক গল্প কোটি দর্শককে আবেগাপ্লুত করেছিল। ছবিতে সালমান খানের সরল, মানবিক চরিত্র দর্শকদের কাছে নতুনভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়। তাঁর সঙ্গে হারশালি মালহোত্রার রসায়ন ছবির অন্যতম বড় শক্তি হয়ে ওঠে। সমালোচকদের মতে, ছবিটির সাফল্যের বড় কারণ ছিল এই আন্তরিক সম্পর্কের বিশ্বাসযোগ্য উপস্থাপন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →