২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস হার বাংলাদেশের
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট খেলে ২০০১ সালে। বুলাওয়েতে সেই টেস্টে তারা হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। পরের ২৫ বছরে দুই দল খেলেছে আরও ২০ টেস্ট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের হার আছে আরও সাতটি, কিন্তু একটিও ইনিংস ব্যবধানে হার ছিল না। সেই তেতো স্বাদটা তারা আবারও পেল ২৫ বছর পর। হারারেতে জিম্বাবুয়ের কাছে আড়াই দিনেই বাংলাদেশ টেস্ট হেরেছে ইনিংস ও ৮৫ রানে। আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ১৪০ রানে অলআউট বাংলাদেশ। একমাত্র ইনিংসে জিম্বাবুয়ে ৪১০ রান করে ফেলে, দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদ
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট খেলে ২০০১ সালে। বুলাওয়েতে সেই টেস্টে তারা হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। পরের ২৫ বছরে দুই দল খেলেছে আরও ২০ টেস্ট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের হার আছে আরও সাতটি, কিন্তু একটিও ইনিংস ব্যবধানে হার ছিল না। সেই তেতো স্বাদটা তারা আবারও পেল ২৫ বছর পর। হারারেতে জিম্বাবুয়ের কাছে আড়াই দিনেই বাংলাদেশ টেস্ট হেরেছে ইনিংস ও ৮৫ রানে। আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ১৪০ রানে অলআউট বাংলাদেশ। একমাত্র ইনিংসে জিম্বাবুয়ে ৪১০ রান করে ফেলে, দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট ১৮৫ রানে। দুই দলের প্রথম ইনিংসের শুরুটাই আসলে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে ম্যাচে। বাংলাদেশ অবশ্য দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলার পরও ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস পেয়েছিল নাজমুল হোসেন ও মুমিনুল হকের ব্যাটে। কিন্তু তাঁদের ৭৭ রানের জুটি ভাঙতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও নিউম্যান নিয়ামহুরিদের গতি আর বাউন্স সামলে উঠতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। বেশির ভাগই ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে। প্রথম ইনিংসে ২৭ রানে শেষ ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এত অল্পতে অলআউট হওয়ার পর বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে যে রকম ধাক্কা দেওয়ার দরকার ছিল, তা করতে পারেনি বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতেই ৮৯ রান করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। বেন কারেনকে আউট করা খালেদ আহমেদই দলের দ্বিতীয় উইকেটটা নেন ব্রেন্ডন টেলরকে ফিরিয়ে, কিন্তু ততক্ষণে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়ে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ইনোসেন্ট কাইয়ার ১৪০ আর ক্রেইগ আরভিন ও ব্রায়ান বেনেটের ফিফটিতে প্রথম ইনিংসে তারা তোলে ৪১০ রান। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে লিড পায় ২১০ রানের। ইনিংস হার এড়ানোর কঠিন কাজটা করতে পারবে, বাংলাদেশের ওই আভাস দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়েও ছিল না তেমন। এই ইনিংসে আউট হওয়া ১০ ব্যাটসম্যানের সবাই ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হয়েছেন, বেশির ভাগই এবারও খোঁচা মেরে ক্যাচ দিয়েছেন।এবার মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের ৬১ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি সর্বোচ্চ। কোনো ব্যাটসম্যান ফিফটিও পাননি, বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৪ রান মুশফিকের। তাতে ইনিংস হার এড়ানোর কাছাকাছিও যেতে পারেনি বাংলাদেশ। সর্বশেষ পাঁচ টেস্টের চারটিতে জিতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দলের জন্য তা একটা বড় ধাক্কাই। আগস্টে বাংলাদেশের পরের টেস্ট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে। বাংলাদেশের মেয়েদের ‘সেরা’ বিশ্বকাপের শেষটা হারে
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →