নবাবগঞ্জে চুরির অভিযোগে কাটা হলো দুই নারীর চুল, বাড়ির মালিক ও তাঁর স্ত্রী গ্রেপ্তার
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে দুই নারীকে আটকে রেখে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক মো. ইব্রাহিম ও তাঁর স্ত্রী আয়শা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার পুরাতন বান্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুরাতন বান্দুরা গ্রামের বাসিন্দা মো. ইব্রাহিমের বাড়ির ভাড়াটে দুই নারীকে মুঠোফোন ও টাকা চুরির অভিযোগে আটক করা হয়। এরপর ইব্রাহিমসহ স্থানীয় কয়েকজন তাঁদের মারধর করেন
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে দুই নারীকে আটকে রেখে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক মো. ইব্রাহিম ও তাঁর স্ত্রী আয়শা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার পুরাতন বান্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুরাতন বান্দুরা গ্রামের বাসিন্দা মো. ইব্রাহিমের বাড়ির ভাড়াটে দুই নারীকে মুঠোফোন ও টাকা চুরির অভিযোগে আটক করা হয়। এরপর ইব্রাহিমসহ স্থানীয় কয়েকজন তাঁদের মারধর করেন এবং চুল কেটে দেন বলে অভিযোগ আছে। ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই নারীকে উদ্ধার করে। পরে বাড়ির মালিক ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করা হয়। গভীর রাত পর্যন্ত উভয় পক্ষ থানায় অবস্থান করার পর ভুক্তভোগী এক নারীর করা শ্লীলতাহানির মামলায় ইব্রাহিম ও আয়শা আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২০–২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, চুরির অভিযোগের বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, চুরির বিষয়ে ভুক্তভোগী মামলা না দিয়ে দুই নারীকে ধরে চুল কেটে বেআইনি কাজ করেছেন। ঘটনাটি এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের কাছে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পরে এক নারীর অভিযোগে মামলা নিয়ে বাড়ির মালিক ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →