কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের মামলায় ইসতি মেডিকেলের এমডি কারাগারে

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের মামলায় ইসতি মেডিকেলের এমডি কারাগারে

এক আত্মীয়কে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর ইসতি মেডিকেল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফয়সালকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মোহাম্মদ ফয়সাল। তাঁর পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া, সম্পাদক আ

এক আত্মীয়কে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর ইসতি মেডিকেল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফয়সালকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মোহাম্মদ ফয়সাল। তাঁর পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া, সম্পাদক আবুল কালাম খান, সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা খানসহ কয়েকজন আইনজীবী শুনানি করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ দাবি করে, জমিজমা-সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনাটির প্রায় এক মাস পর অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছে উল্লেখ করে তাঁরা জামিন প্রার্থনা করেন। অন্যদিকে বাদীপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদ্য সাবেক সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসাধারণ সম্পাদক জহিরুল হাসান মুকুলসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা রাজধানীর গুলশান থানায় মামলাটি করেন। এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত মোহাম্মদ ফয়সাল ভুক্তভোগীর আত্মীয়। গত বছরের ২১ জুন তিনি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটিকে নিয়ে বাইরে ঘোরাঘুরি করেন এবং ধূমপানে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেন। পরে ২৪ জুন দুপুরে গুলশানের কনকর্ড সিলভি হাইটসে অবস্থিত তাঁর অফিসে দুপুরের খাবারের জন্য ডাকেন। সেখানেও ধূমপান করানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়, ওই দিন রাতে গাড়িতে করে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার সময় আমেরিকান ক্লাব সড়কে গাড়ি চালানো শেখানোর কথা বলে কিশোরীকে সামনে বসান। একপর্যায়ে তিনি তাকে যৌন নিপীড়ন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কিশোরী কৌশলে সেখান থেকে বেরিয়ে বাসায় ফিরে যায়। ঘটনার পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং পারিবারিক সম্পর্কের অবনতির আশঙ্কায় বিষয়টি কাউকে জানাননি। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল ভুক্তভোগীর বড় বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিযুক্তকে দেখে কিশোরী চিৎকার করে ওঠে। পরে পরিবারের সদস্যরা তার কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন।

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön