শাকিরার ‘ডাই ডাই’ গান গেয়ে ভাইরাল কে এই সিনথিয়া

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 2 saat önce
শাকিরার ‘ডাই ডাই’ গান গেয়ে ভাইরাল কে এই সিনথিয়া

শাকিরার গাওয়া বিশ্বকাপের থিম সং ‘ডাই ডাই’ কভার করে নেট-দুনিয়ায় আলোচিত নাম সিনথিয়া অমি। বাংলাদেশের এই তরুণী জানিয়েছেন, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ বেশ কিছু দেশ থেকে প্রশংসা পাচ্ছে তাঁর কভার করা গানটি। নেট–দুনিয়ার আলোচিত এই গায়িকা সিনথিয়া কে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিনথিয়া অমি, পড়াশোনা করছেন মিউজিক বিভাগে। ‘ডাই ডাই’ গানটি গাওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ৭ জুন প্রথম তিনি গানটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। তিনি আজ শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি বিশ্বকাপের আলোচিত এক

শাকিরার গাওয়া বিশ্বকাপের থিম সং ‘ডাই ডাই’ কভার করে নেট-দুনিয়ায় আলোচিত নাম সিনথিয়া অমি। বাংলাদেশের এই তরুণী জানিয়েছেন, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ বেশ কিছু দেশ থেকে প্রশংসা পাচ্ছে তাঁর কভার করা গানটি। নেট–দুনিয়ার আলোচিত এই গায়িকা সিনথিয়া কে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিনথিয়া অমি, পড়াশোনা করছেন মিউজিক বিভাগে। ‘ডাই ডাই’ গানটি গাওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ৭ জুন প্রথম তিনি গানটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। তিনি আজ শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি বিশ্বকাপের আলোচিত একটি থিম সং। এটা সারা দুনিয়ার মানুষ শুনছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক কভার হচ্ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আমার চোখে পড়েনি কেউ গানটি কভার করেছেন। পরে আমার নিজের কাছেই তো মনে হলো, গানটি গেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিই। গানটি কার কেমন লাগে, এর মধ্য দিয়ে শেখা যাবে, সেটাই ইচ্ছা ছিল।’ সেই গান যে অল্প সময়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে যাবে, এমন ভাবনা ছিল না অমির। সেই ইংরেজি ভাষার গানটি ২৩ লাখের বেশি দর্শক দেখেছেন। কীভাবে পরিকল্পনা করে গানটি প্রকাশ করলেন? এমন প্রশ্ন শুনেই হাসলেন এই তরুণ গায়িকা। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো পরিকল্পনা করে গানটি করিনি। এটি কেউ গাইছে না ভেবেই আমি র‍্যানডম গানটি গেয়েছি। দর্শক গানটি এতটা পছন্দ করবেন, এটা ভাবিনি। পরে দেখি, সবাই অনেক প্রশংসা করছেন। আমি তো অবাক হয়ে যাই। তখন অনেকেই মন্তব্য করেন, এটা প্রপারলি গেয়ে পোস্ট করলে ভালো হয়।’ প্রথম ৭ জুন গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন সিনথিয়া। পরে সবার মন্তব্যে আবার কিছুটা প্রস্তুতি নিয়ে গুছিয়ে গানটি প্রকাশ করেন এই তরুণ গায়িকা। সেটাও ভাইরাল হয়। সিনথিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভেবেছিলাম, শুধু বাংলাদেশের দর্শকেরাই পছন্দ করবেন। পরে দেখি, গানটি দেশ–বিদেশের বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা পাচ্ছে, এটাই আমার বড় পাওয়া। আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। সবার এই ভালো লাগা আমাকে ভবিষ্যতে আরও গান গাইতে অনুপ্রাণিত করবে।’ ভারত, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ অনেক দেশের দর্শকেরা মন্তব্যে গানটির প্রশংসা করেছেন। সিনথিয়া অমি। শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে সিনথিয়া বুঝতে শেখার পর থেকেই ওয়েস্টার্ন মিউজিক শোনেন। তাঁর পছন্দের সংগীতশিল্পীদের মধ্যে একজন শাকিরা। তিনি জানালেন, শৈশব থেকেই শুনে শুনে দেশ–বিদেশের গান গাওয়ার অভ্যাস হয়েছে। ভবিষ্যতে তাঁর ইচ্ছা গান নিয়েই থাকা। গানে আসা নিয়ে এই গায়িকা বলেন, ‘আমার আপু গান শিখতেন। সেখান থেকেই আমার গানের প্রতি ভালোবাসা। আমিও একসময় ভালো গান করতে পারতাম। এটা মা–বাবা জানার পরে আমাকে তাঁরা গানে আগ্রহী করেছেন। বাংলাদেশ বেতারের চিফ মিউজিক ডিরেক্টর আতিকুর রহমান আমাকে অনেক উৎসাহ দিয়েছেন। যে কারণে আমি বাংলাদেশ বেতারের শিশুশিল্পী হিসেবে গান করেছি। এখনো নিয়মিত গান করি। গান নিয়েই আমি ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে চাই।’ ‘সির সির’-এর পর এবার সঞ্জয়–নোরার নতুন চমক ‘চ্যাম্পিয়ান’ গান গাওয়ার পাশাপাশি অমির ইচ্ছা ভবিষ্যতে গান লেখা। তবে আগে গান গাইতে চান। সিনথিয়া জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে তিনটি মৌলিক গান করেছেন। এই গানগুলোর শিরোনাম ‘বুকটা করে হাহাকার’, ‘বসন্তের হাওয়া’, ‘মাধবী ফুলছায়ে’। সব শেষে সিনথিয়া জানালেন, ‘আমি নিয়মিত গান শিখছি। এখন গান নিয়ে পড়ছি। এর আগে নজরুলসংগীত, ক্ল্যাসিক সংগীত শিখেছি। এই চর্চা চালিয়ে যেতে চাই। আমার পরিবারের সবাই আমাকে খুবই সহায়তা করছেন। তাঁদের উৎসাহেই গান করে যেতে চাই।’ সিনথিয়া অমি। শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön