ভিনির গতি ঘণ্টায় ৩৩.২ কিলোমিটার, ব্রাজিলের অন্য ফুটবলারদের কার কী অবস্থা

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 1 saat önce
ভিনির গতি ঘণ্টায় ৩৩.২ কিলোমিটার, ব্রাজিলের অন্য ফুটবলারদের কার কী অবস্থা

আক্রমণে যদি গতি না থাকে, তবে কি আর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ কাঁপানো যায়? কাল রাতে জাপানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে আক্রমণভাগে ঠিক তেমনই এক গতির ঝড় তুলেছিলেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। হিউস্টনের গ্যালারিতে বসে লাখ লাখ দর্শক দেখেছেন ভিনির সেই চিতার মতো দৌড়। ম্যাচের পর ফিফার সূত্র ধরে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ যখন হিসাব–নিকাশ সামনে আনল, দেখা গেল মাঠের বুক চিরে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৩.২ কিলোমিটার গতিতে ছুটেছেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ভিনি। তবে ভিনির এই অতিমানবীয় গতিকেও

আক্রমণে যদি গতি না থাকে, তবে কি আর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ কাঁপানো যায়? কাল রাতে জাপানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে আক্রমণভাগে ঠিক তেমনই এক গতির ঝড় তুলেছিলেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। হিউস্টনের গ্যালারিতে বসে লাখ লাখ দর্শক দেখেছেন ভিনির সেই চিতার মতো দৌড়। ম্যাচের পর ফিফার সূত্র ধরে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ যখন হিসাব–নিকাশ সামনে আনল, দেখা গেল মাঠের বুক চিরে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৩.২ কিলোমিটার গতিতে ছুটেছেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ভিনি। তবে ভিনির এই অতিমানবীয় গতিকেও আড়ালে ফেলে দিয়েছেন ৩২ বছর বয়সী ডিফেন্ডার মার্কিনিওস। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি তিনি যখন ওপরের দিকে দৌড় দিয়েছেন, তখন তাঁর গতি রেকর্ড করা হয়েছে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৩.৮ কিলোমিটার। অবশ্য সেলেসাওদের গতিদানবদের তালিকাটা এখানেই শেষ নয়। তাঁদের ঠিক পেছনেই ঘণ্টায় ৩৩.০ কিলোমিটার দৌড়েছেন মিডফিল্ডার গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। দলের নতুন সেনসেশন এনদ্রিকের গতি ছিল ৩২.৪ কিলোমিটার, আর দানিলো ও রায়ানের গতি রেকর্ড করা হয়েছে সমান ৩১.৬ কিলোমিটার। কাসেমিরোর যে গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল একটু পিছিয়ে থাকলেও মাঝমাঠের কারিগর লুকাস পাকেতাও ঘণ্টায় ৩০.৯ কিলোমিটার গতিতে নিজের জাত চিনিয়েছেন। এই গতির ঝড়ে কিছুটা ধীরস্থির ছিলেন দগলাস সান্তোস ও মাতেউস কুনিয়া, তাঁদের সর্বোচ্চ গতি ছিল যথাক্রমে ২৯.৫ এবং ২৯.১ কিলোমিটার। গতিতে মার্কিনিওস কিংবা ভিনিসিয়ুস টেক্কা দিলেও পুরো ম্যাচে সবচেয়ে বেশি পথ চষে বেড়িয়েছেন ব্রুনো গিমারাইস। এই মিডফিল্ডার যেন পায়ে চাকা লাগিয়ে নেমেছিলেন! ক্লান্তিহীনভাবে মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে তিনি পাড়ি দিয়েছেন ১২.১৭ কিলোমিটার পথ। জার্মানির গোলটি বাতিল হলে ‘আর্সেনালের চ্যাম্পিয়ন হওয়ারই কথা নয়’ দূরত্বের এই ম্যারাথনে তাঁর ধারেকাছে কেউ ছিলেন না। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দগলাস সান্তোস দৌড়েছেন ১০.৯৬ কিলোমিটার। এ ছাড়া মাঠজুড়ে ১০ কিলোমিটারের বেশি পথ পায়ে হেঁটে ও দৌড়ে পার করেছেন গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস (১০.৫৬ কিমি) এবং রায়ান (১০.২৪ কিমি)। গোল করে ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরানো মাঝমাঠের তারকা কাসেমিরোকেও ছুটতে হয়েছে ৯.৭৫ কিলোমিটার পথ। আর আক্রমণে গতিঝড় তোলা ভিনিসিয়ুস নিজে ম্যাচের প্রয়োজনে মোট ৯.২৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন। ব্রাজিলের জয়কে যেভাবে দেখছেন রোমারিও

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön