কমল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা ৪৪ পয়সা কমানো হয়েছে। এতে তেলচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কিছুটা কমবে। প্রতি লিটারের নতুন দাম ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা থেকে বেড়ে ১০৯ টাকা ১০ পয়সা হয়েছে। নতুন দাম আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর আগে গত মাসে দাম বেড়েছিল ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা। আজ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ফার্নেস তেলের দাম কমানোর তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ৩০ জুন অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ মে থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত সম
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা ৪৪ পয়সা কমানো হয়েছে। এতে তেলচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কিছুটা কমবে। প্রতি লিটারের নতুন দাম ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা থেকে বেড়ে ১০৯ টাকা ১০ পয়সা হয়েছে। নতুন দাম আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর আগে গত মাসে দাম বেড়েছিল ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা। আজ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ফার্নেস তেলের দাম কমানোর তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ৩০ জুন অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ মে থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত সময়ে আমদানি করা ফার্নেস তেলের দাম এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বিবেচনায় মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে ফার্নেস তেলের দাম বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নির্ধারণ করত। তবে অন্তর্বর্তী সরকার সেই ক্ষমতা বিইআরসির হাতে দেওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার চতুর্থবারের মতো দাম সমন্বয় করা হলো। বিপিসির অধীন থাকা তেল বিপণন করা সরকারি চার কোম্পানি—পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে। এই তেলের প্রধান ক্রেতা সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম সবশেষ নির্ধারণ করা হয় ২০২৪ সালের ২ আগস্ট। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিইআরসির কাছে দাম নির্ধারণের প্রস্তাব করে বিপিসি। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও প্রস্তাব পাঠায় বিইআরসিতে। এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →