যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে একের পর এক মামলার রায়ে ধরাশায়ী ট্রাম্প, এখন কী বলছেন তিনি

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে একের পর এক মামলার রায়ে ধরাশায়ী ট্রাম্প, এখন কী বলছেন তিনি

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন। এর মধ্যে তিনটি রায় ট্রাম্পের বিপক্ষে গেছে। মাত্র একটি রায় তাঁর পক্ষে এসেছে। পরদিন মঙ্গলবারও ট্রাম্পবিরোধী রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। রায়গুলোয় যেসব বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে—স্বাধীন সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টের কর্তৃত্ব, ভোটাধিকার ও যৌন নিপীড়নসংক্রান্ত মামলা এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিষয়ে দেওয়া রায়। এর মধ্যে শুধ

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন। এর মধ্যে তিনটি রায় ট্রাম্পের বিপক্ষে গেছে। মাত্র একটি রায় তাঁর পক্ষে এসেছে। পরদিন মঙ্গলবারও ট্রাম্পবিরোধী রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। রায়গুলোয় যেসব বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে—স্বাধীন সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টের কর্তৃত্ব, ভোটাধিকার ও যৌন নিপীড়নসংক্রান্ত মামলা এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিষয়ে দেওয়া রায়। এর মধ্যে শুধু স্বাধীন সংস্থার কর্মকর্তাদের বরখাস্তের ক্ষেত্রে তাঁর ক্ষমতা বেড়েছে। নিচে এসব রায় সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক— স্বাধীন সংস্থার কর্মকর্তাদের বরখাস্তের ক্ষমতা বাড়ল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে একটি রায় দিয়েছেন। এই রায় অনুযায়ী, স্বাধীন সরকারি সংস্থার সদস্যদের বরখাস্ত করতে প্রেসিডেন্টকে আর কোনো কারণ দেখাতে হবে না। আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) ডেমোক্র্যাট সদস্য রেবেকা স্লটারকে বরখাস্তে ট্রাম্পের নেওয়া পদক্ষেপটি বৈধ। একই সঙ্গে আদালত ১৯৩৫ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির বাতিল করেছে, যেখানে কংগ্রেসের এমন ক্ষমতা স্বীকৃত ছিল, যার মাধ্যমে কিছু নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধানদের প্রেসিডেন্টের ইচ্ছেমতো অপসারণ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যেত। ট্রাম্প গত বছর কোনো কারণ না দেখিয়েই স্লটারকে বরখাস্ত করেছিলেন। ধারণা করা হয়, নীতিগত বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে মতবিরোধ ছিল। তবে নিম্ন আদালতগুলো স্লটারের দাবির পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ কংগ্রেসের নির্ধারিত সুরক্ষাবিধি লঙ্ঘন করেছে। তবে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ৯ বিচারপতির মধ্যে ৬ জনই রায় দিয়েছেন, স্বাধীন সরকারি সংস্থার সদস্যদের বরখাস্ত করতে প্রেসিডেন্টকে আর কোনো কারণ দেখাতে হবে না। আইনজীবী ব্রুস ফেইন আল-জাজিরাকে বলেন, এই রায়ের কারণে ‘নির্বাহী শাখার ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নিজের ইচ্ছেমতো বরখাস্ত করার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।’ বিশ্লেষকদের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে। গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর থেকেই ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় নিজের রাজনৈতিক মিত্রদের বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই রায়কে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, এমন এক সময়ে এই রায় এসেছে, যখন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করাটা ‘সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন’। তবে সুপ্রিম কোর্টের উদারপন্থী বিচারপতি সোনিয়া সোতোমেয়র ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আজ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা ৯০ বছরের পরীক্ষিত ও কার্যকর একটি ব্যবস্থা বাতিল করে এমন একটি অপরিণত নির্বাহী ক্ষমতার তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা একদিকে সর্বগ্রাসী, অন্যদিকে আবার কিছু অস্পষ্ট ব্যতিক্রমের ওপর নির্ভরশীল।’ ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেনও এই রায়ের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করেছেন এবং স্বাধীনভাবে পরিচালিত সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়েছেন। তিনি চান, সেগুলো মার্কিন জনগণের পরিবর্তে তাঁর ও তাঁর ধনী মিত্রদের স্বার্থ রক্ষা করুক।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভ গভর্নরকে বরখাস্তে বাধা সোমবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের প্রধান লিসা কুককে পদ থেকে সরিয়ে দিতে ট্রাম্পের নেওয়া উদ্যোগটি আটকে দিয়েছেন। আর এর মধ্য দিয়ে ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমের স্বাধীনতা বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ফেডারেল রিজার্ভ একটি নির্দলীয় প্রতিষ্ঠান, যা বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির মুদ্রানীতি নির্ধারণ করে। এর গভর্নরদের প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন দেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট তাঁদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করে। কুককে বরখাস্ত করার কারণ হিসেবে ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা প্রমাণহীন মর্টগেজ জালিয়াতির অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তবে কুক সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, সুদের হার কমানোর জন্য ট্রাম্পের চাপের বিপরীতে মুদ্রানীতি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণেই তাঁকে সরানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ১৯১৩ সালে ফেডারেল রিজার্ভ প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর আগে কখনো ফেডারেল রিজার্ভের কোনো গভর্নরকে অপসারণের চেষ্টা করেননি। সোমবার দেওয়া রায়ে আদালত বিশেষভাবে ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের দেওয়া মতামতে বলা হয়, ‘শুধু স্বাধীনতা থাকাই নয়, স্বাধীনতার দৃশ্যমান উপস্থিতিও ফেডারেল রিজার্ভের কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’ আইনজীবী ব্রুস ফেইন বলেন, এর ফলে ‘ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া এবং রাজনৈতিক সুবিধার জন্য মুদ্রানীতি প্রভাবিত করতে ট্রাম্পের চেষ্টা স্থায়ীভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।’ কুক আদালতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প সঙ্গে সঙ্গেই এর বিরোধিতা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কল্যাণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেন কোনো অনিয়মকারী ব্যক্তি নিতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে আমরা অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’ তবে এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন বা সরকার পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ নিতে পারে, তা তিনি স্পষ্ট করেননি। ডাকযোগে ভোট গণনার নিয়ম বহাল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এমন একটি অঙ্গরাজ্য আইন বহাল রেখেছে, যার আওতায় নির্বাচনের দিনের মধ্যে ডাকযোগে পাঠানো হলেও পরে পৌঁছানো ব্যালট গণনা করা যাবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য এটি আরেকটি ধাক্কা। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön