ইডটকোর নতুন কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ
ইডটকো বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে ইডটকো। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ নিয়োগ ডিজিটাল অবকাঠামোর সম্প্রসারণে ইডটকোর অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করবে। দেশের ডিজিটাল যোগাযোগ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার যাত্রাকে এগিয়ে নেবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের আগে আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ প্রায় ১৭ বছর এরিকসনে জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ইডটকো বাং
ইডটকো বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে ইডটকো। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ নিয়োগ ডিজিটাল অবকাঠামোর সম্প্রসারণে ইডটকোর অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করবে। দেশের ডিজিটাল যোগাযোগ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার যাত্রাকে এগিয়ে নেবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের আগে আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ প্রায় ১৭ বছর এরিকসনে জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ইডটকো বাংলাদেশের পরিচালক (স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ইডটকো গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (গ্রুপ সিইও) আদলান তাজুদিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ইডটকো গ্রুপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকা শক্তি। টেলিযোগাযোগ খাত সম্পর্কে আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদের গভীর জ্ঞান, রূপান্তরমূলক নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং কৌশলগত দূরদৃষ্টি ইডটকো বাংলাদেশের আগামী দিনের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইডটকো বাংলাদেশের নবনিযুক্ত কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ বলেন, ‘ইডটকো বাংলাদেশ ইতিমধ্যে শক্ত একটি অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে টেলিযোগাযোগ খাতের অন্য অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো খাতকে আরও শক্তিশালী করা, সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় অবদান রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →