সুবিধা পাবে গুটিকয় প্রতিষ্ঠান, সাধারণ গ্রাহক নন
চলতি অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে কিছু কর–সুবিধা দেওয়া হলেও এর বড় অংশের সুবিধাভোগী হবে মোবাইল অপারেটর ও গুটিকয় প্রতিষ্ঠান। সাধারণ গ্রাহক এর সুফল পাবেন না বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, স্মার্টফোন ও মোবাইল ডেটার ওপর উচ্চ কর ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির পথে বাধা হয়ে থাকবে। আজ বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে ‘টেলিকম ও প্রযুক্তি খাতে বাজেটের প্রভাব’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। সম্প্রতি পাস হওয়া অর্থবিল ২০২৬–এর বিভিন্ন দিক নিয়ে
চলতি অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে কিছু কর–সুবিধা দেওয়া হলেও এর বড় অংশের সুবিধাভোগী হবে মোবাইল অপারেটর ও গুটিকয় প্রতিষ্ঠান। সাধারণ গ্রাহক এর সুফল পাবেন না বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, স্মার্টফোন ও মোবাইল ডেটার ওপর উচ্চ কর ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির পথে বাধা হয়ে থাকবে। আজ বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে ‘টেলিকম ও প্রযুক্তি খাতে বাজেটের প্রভাব’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। সম্প্রতি পাস হওয়া অর্থবিল ২০২৬–এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করতে সেমিনারের আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড আইসিটি পলিসি অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্ম (টিআইপিএপি)। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআইপিএপির আহ্বায়ক ও বিডিজবসের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর। মূল প্রবন্ধে ফাহিম মাশরুর বলেন, এবারের বাজেটে ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার ও মনিটর আমদানিতে কর ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে, যা ইতিবাচক। তবে একই সময়ে স্মার্টফোন আমদানির ওপর কর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ল্যাপটপ আমদানিতে মোট করের হার ৯ দশমিক ৫ শতাংশ হলেও স্মার্টফোনে তা ৬২ শতাংশ, যা ছয় গুণের বেশি। অথচ দেশের অধিকাংশ মানুষ কম্পিউটারের পরিবর্তে স্মার্টফোন দিয়েই বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করেন। ফাহিম মাশরুর দাবি করেন, গুটিকয় বিদেশি মালিকানাধীন স্মার্টফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এ ধরনের নীতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল ডেটার ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বহাল রাখাও ডিজিটাল বৈষম্য কমানোর পথে বাধা বলে মন্তব্য করেন তিনি। টেলিকম বিশেষজ্ঞ মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাজেটে মোবাইল অপারেটররা নিজেদের জন্য বিভিন্ন কর–সুবিধা আদায় করে নিয়েছে। সিমের ওপর কর ৩০০ টাকা কমানো হয়েছে এবং অগ্রিম আয়করও কমানো হয়েছে। তবে এসব সুবিধা কোম্পানিগুলোর মুনাফা বাড়াতে সহায়ক হলেও সাধারণ গ্রাহকের কোনো উপকারে আসবে না। তাঁর দাবি, প্রতি ১০০ টাকার টকটাইমে একজন গ্রাহক ৪০ টাকার বেশি সরকারকে কর হিসেবে দেন, যা এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বেশি। শেয়ারট্রিপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক বলেন, সরকার স্টার্টআপ খাতের জন্য কয়েকটি ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এসব নীতির সুবিধা যেন স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে নিতে পারে, সে জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ড্রিম ৭১–এর প্রধান রাশাদ কবির বলেন, সফটওয়্যার শিল্পের আয়কর অব্যাহতির মেয়াদ ২০২৭ সালে শেষ হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তিতে বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। আবার সফটওয়্যার খাতে ব্যাংকের অর্থায়নও সীমিত। তাই এ খাতের আয়কর অব্যাহতির সুবিধা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
📌 Kaynak
Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →