টিউমার মার্কার দিয়ে কি ক্যানসার শনাক্ত করা যায়

📌 Diğer 📰 Bangladesh 🕐 3 saat önce
টিউমার মার্কার দিয়ে কি ক্যানসার শনাক্ত করা যায়

ক্যানসারের সন্দেহ হলে রক্তের কিছু বিশেষ পরীক্ষা করা হয়। এগুলোকে বলে টিউমার মার্কার। যেমন স্তন ক্যানসারের জন্য CA 15-3, কোলন ও রেকটাল ক্যানসারে CEA, প্যানক্রিয়াসের ক্যানসারে CA 19-9, লিভার ক্যানসারে AFP, ওভারি তথা জরায়ু ক্যানসারে CA-125 এবং প্রোস্টেট ক্যানসারে PSA। এসব পরীক্ষা অনেকে রুটিন পরীক্ষার সঙ্গেও করেন। আসলে এসব রক্ত পরীক্ষা দিয়ে কি ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব? বাস্তবতা কী বাস্তবে টিউমার মার্কার বেড়ে গেলেই ক্যানসার হয়েছে, এমনটা নিশ্চিত হওয়া যায় না। আবার টিউমার মার্কারে

ক্যানসারের সন্দেহ হলে রক্তের কিছু বিশেষ পরীক্ষা করা হয়। এগুলোকে বলে টিউমার মার্কার। যেমন স্তন ক্যানসারের জন্য CA 15-3, কোলন ও রেকটাল ক্যানসারে CEA, প্যানক্রিয়াসের ক্যানসারে CA 19-9, লিভার ক্যানসারে AFP, ওভারি তথা জরায়ু ক্যানসারে CA-125 এবং প্রোস্টেট ক্যানসারে PSA। এসব পরীক্ষা অনেকে রুটিন পরীক্ষার সঙ্গেও করেন। আসলে এসব রক্ত পরীক্ষা দিয়ে কি ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব? বাস্তবতা কী বাস্তবে টিউমার মার্কার বেড়ে গেলেই ক্যানসার হয়েছে, এমনটা নিশ্চিত হওয়া যায় না। আবার টিউমার মার্কারের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে ক্যানসার নেই, সেটিও নিশ্চিত নয়। তাই এগুলো ক্যানসার নির্ণয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা নয়, বরং সহায়ক পরীক্ষা। টিউমার মার্কার হলো শরীরে তৈরি হওয়া কিছু প্রোটিন, অ্যান্টিজেন, হরমোন বা এনজাইম জাতীয় পদার্থ। ক্যানসার কোষ নিজে এগুলো তৈরি করতে পারে, আবার কখনো ক্যানসারের প্রতিক্রিয়ায় শরীরও এগুলো তৈরি করে। অধিকাংশ টিউমার মার্কারের সেনসিটিভিটি ও স্পেসিফিসিটি শতভাগ নয়। কোনো পরীক্ষার সেনসিটিভিটি বলতে বোঝায়, ক্যানসার থাকা রোগীদের কতজনকে পরীক্ষাটি শনাক্ত করতে পারে। স্পেসিফিসিটি বোঝায়, ক্যানসার নেই এমন মানুষকে কতটা সঠিকভাবে স্বাভাবিক দেখাতে পারে। পাকা চুল আর ক্যানসারের এই নতুন যোগসূত্র জানলে আপনি চমকে উঠবেন কী কাজে লাগে স্তন ক্যানসারে CA 15-3 মূলত মেটাস্ট্যাটিক রোগে পর্যবেক্ষণ করতে বেশি কাজে লাগে। চিকিৎসার পর এর মাত্রা কমলে ভালো প্রতিক্রিয়ার ধারণা পাওয়া যায়। তবে প্রাথমিক স্তন ক্যানসার শনাক্ত করার জন্য এটি উপযুক্ত নয়। কোলোরেক্টাল ক্যানসারে CEA চিকিৎসার আগে বেসলাইন হিসেবে এবং অস্ত্রোপচারের পর ফলোআপে ব্যবহৃত হয়। ধারাবাহিকভাবে CEA বাড়লে রোগ ফিরে আসার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়। তবে ধূমপান, লিভারের রোগ বা প্রদাহেও CEA বাড়তে পারে। প্যানক্রিয়াস ও পিত্তনালির ক্যানসারে CA 19-9 ব্যবহৃত হয়। কিন্তু জন্ডিস, পিত্তনালির বাধা, প্যানক্রিয়াটাইটিস ও কোলাঙ্গাইটিসেও এটি অনেক বেড়ে যেতে পারে। তাই স্ক্যান ও বায়োপসি ছাড়া শুধু CA 19-9 দিয়ে ক্যানসার নিশ্চিত করা যায় না। লিভার ক্যানসারে AFP সহায়ক হলেও সব রোগীর ক্ষেত্রে এটি বাড়ে না। আবার হেপাটাইটিস, সিরোসিস ও গর্ভাবস্থাতেও AFP বাড়তে পারে। উচ্চ ঝুঁকির রোগীদের ক্ষেত্রে আলট্রাসনোগ্রামের সঙ্গে এটি ব্যবহার করা হয়। জরায়ু ক্যানসারে CA-125 এবং প্রোস্টেট ক্যানসারে PSA গুরুত্বপূর্ণ। তবে মাসিক, এন্ডোমেট্রিওসিস, প্রোস্টেট বড় হওয়া বা প্রদাহেও এসব মার্কার বাড়তে পারে। শেষ কথা, ক্যানসার নির্ণয়ের মূল ভিত্তি এখনো রোগীর ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা, ইমেজিং, বায়োপসি ও হিস্টোপ্যাথলজি। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। ক্যানসার হলে কী করবেন, কোথায় যাবেন

📌 Kaynak

Bu haber XML kaynağından derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön