নওগাঁয় ঠেলে পাঠানো চেষ্টার পর সীমান্তের আলো নিভিয়ে ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত এলাকায় শিশুসহ ১৭ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল শুক্রবার রাত একটার দিকে সীমান্তের আলো বন্ধ করে তাঁদের শূন্যরেখা থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। আজ শনিবার দুপুরে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৩ সীমান্তে ৬০ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা, বিজিবির বাধায় নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় সাপাহার
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত এলাকায় শিশুসহ ১৭ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল শুক্রবার রাত একটার দিকে সীমান্তের আলো বন্ধ করে তাঁদের শূন্যরেখা থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। আজ শনিবার দুপুরে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৩ সীমান্তে ৬০ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা, বিজিবির বাধায় নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্তের ২৩৮/এমপি সীমান্ত পিলার দিয়ে নারী-শিশুসহ ১৭ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চালায় বিএসএফ। দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা ধরে এই চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সতর্ক অবস্থান নেন বিজিবি সদস্যরা। বিজিবি সদস্যদের এমন অবস্থানের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কলমুডাঙ্গা গ্রামের ট্রাক্টরচালক মাহবুব আলম বলেন, ‘ওই ১৭ জনকে বিজিবি সদস্যরা পাহারা দিয়ে রেখেছিলেন। রাত ১১টার দিকে আমার ট্রাক্টরে ধান লোড দিচ্ছিলাম, তখনো বিজিবি সদস্যরা সেখানে ছিলেন। এরপর বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের টেনেহিঁচড়ে ভারতে নিয়ে যান। তাঁরা বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে যেতে চাচ্ছিলেন না, অনেক কান্নাকাটি করছিলেন।’ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে শূন্যরেখায় নেই ২৮ জন, বিজিবি বলছে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত একটার দিকে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের আলো বন্ধ করে দেন। তাঁরা ঠেলে পাঠানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এরপর ওই ১৭ জনকে ভারতে ফিরিয়ে নিয়েছেন বলে ধারণা করা যাচ্ছে। বর্তমানে সীমান্তের ওই এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →