নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের কর কমিয়ে ১ শতাংশ করার দাবি
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদী ব্যক্তিত্ব, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাঁরা বলেন, আগামী ১০ বছরের জন্য সব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট ও অগ্রিম করসহ সর্বমোট করের হার প্রতীকী ১ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। আজ শনিবার রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় ‘জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য উৎস: চাই বাজেটের নীতিগত পরিবর্তন’
পরিবেশবাদী এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা আগামী ১০ বছরের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের উপর সমস্ত কর, যেমন কাস্টমস ডিউটি এবং ভ্যাট, প্রতীকী ১ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। এই দাবিগুলো শনিবার 'জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য উৎস: চাই বাজেটের নীতিগত পরিবর্তন' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপন করা হয়, যা উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন) এবং বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোট (বিডব্লিউজিইডি) যৌথভাবে আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয় যে, নীতিগত বাধা, উচ্চ কর এবং অপর্যাপ্ত অর্থায়নের কারণে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে পিছিয়ে রয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিকৃত জ্বালানির উপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, জাতীয় অর্থনীতি এবং ভোক্তাদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সৌর ও বায়ুশক্তির বিশাল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যন্ত্রপাতির উপর ২৭ থেকে ৬১ শতাংশ পর্যন্ত কর আরোপের সমালোচনা করেন, যা খাতটির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির উপর কর কমানো এবং নীতিগত সহায়তা বৃদ্ধি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে, আমদানি নির্ভরতা কমাতে এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →