লাউয়াছড়ার পাশে একটুকরো অবসর, চায়ের দোকানে জমে ওঠা গল্প

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 2 saat önce
লাউয়াছড়ার পাশে একটুকরো অবসর, চায়ের দোকানে জমে ওঠা গল্প

সকালের আলো ফুটতেই শুরু হয় সাদ্দামের দিনের ব্যস্ততা। একটি ঠেলাগাড়িতে করে পানির বোতল, কেটলি, চায়ের কাপ, চেয়ার-টুলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে তিনি পৌঁছে যান দোকানে। মাটির চুলায় শুকনা কাঠ ও খড় দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে বসিয়ে দেন বড় কেটলি। ধীরে ধীরে কেটলির ভেতর ফুটতে থাকে পানি, চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে চায়ের সুগন্ধ। সকালের নীরবতা ভেঙে কিছুক্ষণের মধ্যেই আসতে শুরু করেন লোকজন। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সবুজ ছায়া, চারপাশে বিস্তীর্ণ চা-বাগান আর পাশে নিরিবিলি ভানুগাছ সড়ক। প্রকৃত

শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও চা-বাগানের পাশে অবস্থিত একটি চায়ের দোকান স্থানীয়দের কাছে 'সাদ্দামের দোকান' নামে পরিচিতি লাভ করেছে। পূর্বে 'চাচার দোকান' নামে পরিচিত এই স্থানটি এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক শান্ত আশ্রয়স্থল। প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকা এই দোকানে চা পান করতে আসা মানুষেরা প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে গল্প ও আড্ডায় মেতে ওঠেন। বিদ্যুৎ ও কৃত্রিম আয়োজন ছাড়াই, কেবল প্রকৃতির স্নিগ্ধতা আর উষ্ণ আতিথেয়তা এখানে আগতদের মুগ্ধ করে। প্রতিদিন প্রায় ৪০০ কাপ চা বিক্রি হওয়ার পাশাপাশি এখানে হালকা খাবারও পাওয়া যায়।

এই চায়ের দোকানটি কেবল একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে শহুরে জীবনের ক্লান্তি দূর করার এবং মানুষের মধ্যে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার একটি অনন্য কেন্দ্র।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
← Tüm haberlere dön