দ্বীপ জেলা ভোলায় গ্যাসের প্রাচুর্য, তবে গতি নেই শিল্পায়নে

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 3 saat önce
দ্বীপ জেলা ভোলায় গ্যাসের প্রাচুর্য, তবে গতি নেই শিল্পায়নে

ভোলার গ্যাসক্ষেত্রগুলোর দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ১২২ মিলিয়ন ঘনফুট। চাহিদা ৭০-৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট। বাকি গ্যাস উদ্বৃত্ত থাকছে। ভোলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ চরপাতা গ্রাম। বছর তিনেক আগে সেখানে গ্যাসক্ষেত্র খুঁজে পায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। সেই ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র এরই মধ্যে গ্যাস উত্তোলনের জন্য প্রস্তুত। তবে উৎপাদন থেমে আছে। কারণ, ভোলায় বর্তমানে চাহিদার চেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। বাপেক্সের হিসাবে ভোলায় বর্তমানে ১ দশমিক

ভোলায় গ্যাসের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও শিল্পায়নে ধীরগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এখানকার গ্যাসক্ষেত্রগুলোর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১২২ মিলিয়ন ঘনফুট, যেখানে বর্তমান চাহিদা মাত্র ৭০-৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট, ফলে গ্যাস উদ্বৃত্ত থাকছে। ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র উত্তোলনের জন্য প্রস্তুত হলেও উৎপাদন শুরু হয়নি, এবং শাহবাজপুর, ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্র থেকেও পুরোদমে উৎপাদন হচ্ছে না। এত বিপুল পরিমাণ গ্যাস থাকা সত্ত্বেও, জেলাটিতে শিল্পায়ন গড়ে তোলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় এর পূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভোলাতেই শিল্পাঞ্চল, ইপিজেড এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর পরিকল্পনা। এতে জেলার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে এবং গ্যাসের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে। স্থানীয় বাসিন্দারাও দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি নিয়ে আন্দোলন করে আসছেন।

ভোলায় গ্যাসের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও শিল্পায়নের অভাব জেলার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং স্থানীয়দের কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনযাত্রার সুযোগ সীমিত করছে।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön