আজাদ খান, জনস্বাস্থ্যের এক আজীবন অভিযাত্রী
জাতীয় অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ খানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাঁর জীবনের দীর্ঘ পথচলার অনেক গল্প শোনা গেল। ‘ক্রাউন সিমেন্ট অভিজ্ঞতার আলো’ শীর্ষক নিয়মিত সাক্ষাৎকারের অংশ হিসেবে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম তাঁর। গল্পের শুরু বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণকাঠী গ্রামে। ১৯৪১ সালে সেখানে তাঁর জন্ম। প্রাথমিক শিক্ষা পাশের গ্রাম পাদ্রীশিবপুরে। তিনি বলছিলেন, তাঁদের সময়ে অনেকেই বাড়িতে পড়াশোনা করে পরে স্কুলে ভর্তি হতেন। তাঁকে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি করার কথা উঠলেও তাঁর বাবা মৌলভী ফজলুর রহমান খান বলেছ
জাতীয় অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ খান, জনস্বাস্থ্যের একজন প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব, তার জীবন ও কর্ম নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে স্মৃতিচারণ করেছেন। বরিশালের এক সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া এই চিকিৎসক শিক্ষাজীবনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন এবং পরবর্তীতে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেন। অক্সফোর্ডে তার গবেষণা আলসারেটিভ কোলাইটিস নিয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে, যা আরও উন্নত ওষুধ তৈরিতে সহায়ক হয়েছে। তিনি এবং তার সহকর্মীরা জনস্বার্থে ওষুধের পেটেন্ট গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন।
ড. এ কে আজাদ খানের জীবন ও কর্ম জনস্বাস্থ্য, চিকিৎসা শিক্ষা এবং গবেষণায় তার অসামান্য অবদানকে তুলে ধরে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →