আমরা জনগণের ঘাড়ে অযৌক্তিক করের বোঝা চাপাতে চাই না
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক। প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন সরকারের ১০০ দিনের সফলতা-ব্যর্থতা, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে সৃষ্টি হওয়া চ্যালেঞ্জ, সরকারি চাকরিজীবী বেতন বৃদ্ধি, পরিবর্তিত বিশ্বে ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জসহ নানা প্রসঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ কে এম জাকারিয়া ও মনোজ দে বিএনপি সরকার ১০০ দিন পার করেছে। যেকোনো সরকারের প্রথম ১০০ দিন গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, সরকারের নীতি বা সরকার কোন পথে যেত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, সরকার জনগণের ওপর অযৌক্তিক করের বোঝা চাপাতে চায় না। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক ক্ষত, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক খাতের লুটপাট এবং সিন্ডিকেটের হাতে বাজার ব্যবস্থা জিম্মি থাকার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সরকার পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে। প্রথম ১০০ দিনে সরকারের প্রধান অর্জন হলো জনগণের সামনে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা উপস্থাপন করা যে, রাষ্ট্র কোনো গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, বরং ব্যাংক, বাজেট, বাজার, পুঁজিবাজার, প্রশাসন এবং উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের স্বার্থেই পরিচালিত হবে। এই সময়ে সরকার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, রিজার্ভ সংকট, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং কর্মসংস্থানের ঘাটতির মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও দ্রুত নীতি-সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার ইঙ্গিত দিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, খাল খনন, হাম-রুবেলা টিকাদান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ, ভূমিসেবা অটোমেশন, কৃষিঋণ সহায়তা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সহায়তা, শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিশ্চিতকরণ, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে বার্তা দেওয়ার মতো কর্মসূচিগুলো মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ক্ষত ১০০ দিনে সারানো সম্ভব না হলেও, এই সময়ে রাষ্ট্রের দিক পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। সরকার লুটপাটের অর্থনীতি থেকে উৎপাদনের অর্থনীতিতে, সিন্ডিকেটের বাজার থেকে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে, ভঙ্গুর ব্যাংক থেকে সুশাসিত আর্থিক খাতে এবং ভয়ভীতির রাজনীতি থেকে জনগণকেন্দ্রিক প্রশাসনের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ নীতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার বক্তব্য জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা সম্পর্কে ধারণা দেয়।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →