ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, পর্যালোচনায় আদালত যা বললেন
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করলেন আদালত। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। আসামির জবানবন্দি, তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য ও চিকিৎসকের প্রতিবেদন অনুযায়ী আসামি সোহেল রানা দোষী প্রমাণিত হয়েছেন বলে পর্যালোচনায় আদালত জানান। অপরাধে সব ধরনের সহযোগিতা করায় তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও একই অপরাধে অপরাধী বলে আদালত জানিয়েছেন। আজ রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্য
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ১৯ দিনের মাথায় আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। অভিযুক্ত সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানান, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য এবং চিকিৎসকের প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। স্বপ্না আক্তারও অপরাধে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করায় একই অভিযোগে দণ্ডিত হয়েছেন।
বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর সোহেল রানা ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও স্বপ্না আক্তার ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং তিনি কোনো বাধা দেননি, বরং অপরাধে সহায়তা করেছেন।
এই দ্রুত রায় সমাজে শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেয় এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →